০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরে অচলবস্থা: ৫ বছরের অধিক সময় মেরিণ একাডেমির প্রশিক্ষক দিয়ে চালানো হচ্ছে প্রধান প্রকৌশলীর কাজ!

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক
চট্রগ্রাম মেরিণ একাডেমির প্রশিক্ষক মঞ্জুরুল কবীরকে ৫ বছরেরও অধিক সময় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে রাখায় অধিদপ্তরে অচলবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো: মনজুরুল কবীর ২০১৮ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত চীফ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে প্রেষনে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৮ সালে পর পর ২ জন চীফ ইঞ্জিনিয়ার ও ১ জন সার্ভেয়ার ( সম্ভাব্য চীফ ইঞ্জিনিয়ার) দুদকের মামলায় গ্রেফতার হলে অধিদপ্তরে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের ২ জন প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত ও শাস্তি হলে তারা চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন। অধিদপ্তরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে থাকলে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় দ্রত সময়ের মধ্যে মনজুরুল কবীরকে মেরিন একাডেমি থেকে প্রেষণে চীফ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে নিয়োগ দেয়। উল্লেখ্য মনজুরুল কবীর ১ জন মেরিন প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করছিলেন। অভ্যন্তরীন নৌ সেক্টর সম্পর্কে তার তেমন কোন ধারনা ছিলো না। অভ্যন্তরীন নৌ সেক্টর সম্পর্কে ধারনা না থাকায় পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার ব্যাপারে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং উনার কর্ম দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে । একাধিকবার বিভিন্ন পত্রিকায় তার অপরাধ ও দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ হয় । গত বছর তার বিরুদ্ধে ডিজি শিপিং এর সামনে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
মনজুরুল কবীর নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে প্রেষনে যোগদান করেন ২০১৮ সালে এবং অদ্যাবধি চীফ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করছেন। কিন্তু সরকারী কর্মচারী প্রেষন বিধিমালা-২০২০ অনুযায়ী “ কোন কর্মচারী প্রেষেনে একই পদে ০৫ পাঁচ বছরের বেশী কাজ করতে পারবে না”। কিন্তু মনজুরুল কবীর ৫ বছরের অধিক সময় ধরে প্রেষনে একই পদে কাজ করে যাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের আইন পরিপন্থী বা সরকারি বিধি লংঘন।
অধিদপ্তরে একাধিক যোগ্য কর্মকর্তা থাকার পরও এখনো কেনো ভারপ্রাপ্ত চীফ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিপার্টমেন্ট চলছে? এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে কর্মকর্তাদের মধ্যে। ভারপ্রাপ্ত চীফ ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল কবীরের অভ্যন্তরীন নৌ সেক্টর সম্পর্কে ধারনা ও অভিজ্ঞতা না থাকার ফলে তিনি ডিপার্টমেন্টের দৃশ্যমান কোন উন্নতি করতে পারেন নি। অভ্যন্তরীন নৌযান ও নৌ ব্যবসায় কোন কোন প্রকার কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায় নৌযানের নকশা অনুমোদন, সার্ভে, রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার জনস্বার্থ বিরোধী নিয়ম চালু করেন। সার্ভেতে সার্ভে অফিস নির্ধারণ করে দেয়া, সার্ভেয়ার নির্ধারণ করে দেয়া, পছন্দের সার্ভেয়ারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য তিনি এসব কাজ করতেন এ মর্মে অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও তিনি অধিদপ্তরের অস্থায়ী কর্মকর্তা হওয়ায় ডিপার্টমেন্টের প্রতি তার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বার বার । তাই ডিপার্টমেন্টের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাওয়া একজন পূর্ণকালীন যোগ্য চীফ ইঞ্জিনিয়ার।
আইন লংঘন করে একজন কর্মচারী ৫ বছরের অধিক প্রেষনে কাজ করে যাওয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী। একজন কর্মচারী ৫ বছরের অধিক প্রেষনে কাজ করছে এ ব্যাপারে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় কেন বেখবর বা আইন মেনে কেনো এখনো নতুন চীফ ইঞ্জিনিয়ার কেন নিয়োগ হচ্ছে না এ নিয়ে বিভিন্ন কানাঘুষা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, বর্তমান চীফ ইঞ্জিনিয়ার প্রভাব খাটিয়ে বা মন্ত্রণালয়কে ম্যানেজ করে এই পদে থেকে যেতে চাচ্ছেন। শোনা যায়, মনজুরুল কবীর কিছু নিকটাত্মীয় প্রভাবশালী আমলা। তাদের মাধ্যমে সুপারিশ করে তিনি ঢাকায় থাকতে চান। কারণ তিনি প্রকৃতপক্ষে মেরিন একাডেমী, চট্টগ্রামে চাকরি করতেন। পরিবার থাকে ঢাকায়। তাই তিনি পরিবারের সাথে ঢাকায় থাকার জন্য চট্টগ্রাম যেতে চান না।
একাধিক বিশ্বস্থ মাধ্যমে জানা যায়, তিনি মাস্টার ও ড্রাইভারশিপ পরীক্ষায় অনিয়ম করে দালাল চক্রের মাধ্যম বিপুল টাকা উপার্জন করেন। দালাল তুষারের স্ত্রীর কথা মত তিনি অনেক কাজ করে দেন। ফলে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাজেদা চৌধুরীর বাসার কাজের লোক তুষার এখন কোটিপতি। রাজধানীতে আলীশান ফ্ল্যাট কিনে বসবাস করছেন দালাল তুষার। এই সুবিধা যেন বন্ধ না হয়, তাই তিনি বিধি লংঘন করে ডিজি শিপিং এ স্থায়ী বা আরোও যতদিন থাকা যায় সেই চেষ্টা করছেন। এদিকে মনজুরুল কবীর ৫ বছরের অধিক সময় ধরে প্রেষনে একই পদে থাকায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় নতুন চীফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। সে মতে অধিদপ্তর থেকে দুই কর্মকর্তার নাম সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামের এমএমডি অফিসের ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম ও নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের সার্ভেয়ার এহতেছানুল হক ফকির রয়েছেন। চীফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ বিধিমালায় ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম যোগ্য নন মর্মে একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন । তারপরও কেন তার নাম সুপারিশ করা হলো এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে । এর পূর্বে ডিজি শিপিং এর ইঞ্জিনিয়ার বাশার তার রাজনৈতিক ও ডিজির সাথে সুসম্পর্ক এর প্রভাব খাটিয়ে চীফ ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার চেষ্টা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, অধিদপ্তরে একজন দক্ষ চীফ ইঞ্জিনিয়ার নিযোগের প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪
১৬৪ বার পড়া হয়েছে

নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরে অচলবস্থা: ৫ বছরের অধিক সময় মেরিণ একাডেমির প্রশিক্ষক দিয়ে চালানো হচ্ছে প্রধান প্রকৌশলীর কাজ!

আপডেট সময় ১১:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪

বিশেষ প্রতিবেদক
চট্রগ্রাম মেরিণ একাডেমির প্রশিক্ষক মঞ্জুরুল কবীরকে ৫ বছরেরও অধিক সময় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে রাখায় অধিদপ্তরে অচলবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো: মনজুরুল কবীর ২০১৮ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত চীফ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে প্রেষনে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৮ সালে পর পর ২ জন চীফ ইঞ্জিনিয়ার ও ১ জন সার্ভেয়ার ( সম্ভাব্য চীফ ইঞ্জিনিয়ার) দুদকের মামলায় গ্রেফতার হলে অধিদপ্তরে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের ২ জন প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত ও শাস্তি হলে তারা চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন। অধিদপ্তরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে থাকলে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় দ্রত সময়ের মধ্যে মনজুরুল কবীরকে মেরিন একাডেমি থেকে প্রেষণে চীফ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে নিয়োগ দেয়। উল্লেখ্য মনজুরুল কবীর ১ জন মেরিন প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করছিলেন। অভ্যন্তরীন নৌ সেক্টর সম্পর্কে তার তেমন কোন ধারনা ছিলো না। অভ্যন্তরীন নৌ সেক্টর সম্পর্কে ধারনা না থাকায় পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার ব্যাপারে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং উনার কর্ম দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে । একাধিকবার বিভিন্ন পত্রিকায় তার অপরাধ ও দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ হয় । গত বছর তার বিরুদ্ধে ডিজি শিপিং এর সামনে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
মনজুরুল কবীর নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে প্রেষনে যোগদান করেন ২০১৮ সালে এবং অদ্যাবধি চীফ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করছেন। কিন্তু সরকারী কর্মচারী প্রেষন বিধিমালা-২০২০ অনুযায়ী “ কোন কর্মচারী প্রেষেনে একই পদে ০৫ পাঁচ বছরের বেশী কাজ করতে পারবে না”। কিন্তু মনজুরুল কবীর ৫ বছরের অধিক সময় ধরে প্রেষনে একই পদে কাজ করে যাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের আইন পরিপন্থী বা সরকারি বিধি লংঘন।
অধিদপ্তরে একাধিক যোগ্য কর্মকর্তা থাকার পরও এখনো কেনো ভারপ্রাপ্ত চীফ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিপার্টমেন্ট চলছে? এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে কর্মকর্তাদের মধ্যে। ভারপ্রাপ্ত চীফ ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল কবীরের অভ্যন্তরীন নৌ সেক্টর সম্পর্কে ধারনা ও অভিজ্ঞতা না থাকার ফলে তিনি ডিপার্টমেন্টের দৃশ্যমান কোন উন্নতি করতে পারেন নি। অভ্যন্তরীন নৌযান ও নৌ ব্যবসায় কোন কোন প্রকার কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায় নৌযানের নকশা অনুমোদন, সার্ভে, রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার জনস্বার্থ বিরোধী নিয়ম চালু করেন। সার্ভেতে সার্ভে অফিস নির্ধারণ করে দেয়া, সার্ভেয়ার নির্ধারণ করে দেয়া, পছন্দের সার্ভেয়ারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য তিনি এসব কাজ করতেন এ মর্মে অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও তিনি অধিদপ্তরের অস্থায়ী কর্মকর্তা হওয়ায় ডিপার্টমেন্টের প্রতি তার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বার বার । তাই ডিপার্টমেন্টের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাওয়া একজন পূর্ণকালীন যোগ্য চীফ ইঞ্জিনিয়ার।
আইন লংঘন করে একজন কর্মচারী ৫ বছরের অধিক প্রেষনে কাজ করে যাওয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী। একজন কর্মচারী ৫ বছরের অধিক প্রেষনে কাজ করছে এ ব্যাপারে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় কেন বেখবর বা আইন মেনে কেনো এখনো নতুন চীফ ইঞ্জিনিয়ার কেন নিয়োগ হচ্ছে না এ নিয়ে বিভিন্ন কানাঘুষা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, বর্তমান চীফ ইঞ্জিনিয়ার প্রভাব খাটিয়ে বা মন্ত্রণালয়কে ম্যানেজ করে এই পদে থেকে যেতে চাচ্ছেন। শোনা যায়, মনজুরুল কবীর কিছু নিকটাত্মীয় প্রভাবশালী আমলা। তাদের মাধ্যমে সুপারিশ করে তিনি ঢাকায় থাকতে চান। কারণ তিনি প্রকৃতপক্ষে মেরিন একাডেমী, চট্টগ্রামে চাকরি করতেন। পরিবার থাকে ঢাকায়। তাই তিনি পরিবারের সাথে ঢাকায় থাকার জন্য চট্টগ্রাম যেতে চান না।
একাধিক বিশ্বস্থ মাধ্যমে জানা যায়, তিনি মাস্টার ও ড্রাইভারশিপ পরীক্ষায় অনিয়ম করে দালাল চক্রের মাধ্যম বিপুল টাকা উপার্জন করেন। দালাল তুষারের স্ত্রীর কথা মত তিনি অনেক কাজ করে দেন। ফলে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাজেদা চৌধুরীর বাসার কাজের লোক তুষার এখন কোটিপতি। রাজধানীতে আলীশান ফ্ল্যাট কিনে বসবাস করছেন দালাল তুষার। এই সুবিধা যেন বন্ধ না হয়, তাই তিনি বিধি লংঘন করে ডিজি শিপিং এ স্থায়ী বা আরোও যতদিন থাকা যায় সেই চেষ্টা করছেন। এদিকে মনজুরুল কবীর ৫ বছরের অধিক সময় ধরে প্রেষনে একই পদে থাকায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় নতুন চীফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। সে মতে অধিদপ্তর থেকে দুই কর্মকর্তার নাম সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামের এমএমডি অফিসের ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম ও নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের সার্ভেয়ার এহতেছানুল হক ফকির রয়েছেন। চীফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ বিধিমালায় ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম যোগ্য নন মর্মে একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন । তারপরও কেন তার নাম সুপারিশ করা হলো এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে । এর পূর্বে ডিজি শিপিং এর ইঞ্জিনিয়ার বাশার তার রাজনৈতিক ও ডিজির সাথে সুসম্পর্ক এর প্রভাব খাটিয়ে চীফ ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার চেষ্টা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, অধিদপ্তরে একজন দক্ষ চীফ ইঞ্জিনিয়ার নিযোগের প্রক্রিয়া চলছে।