০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব সুব্রত পাল চৌধুরীর ভারতে পাঁচ বাড়ি ও দুই আবাসিক হোটেল!
- বিশেষ প্রতিবেদক
সুব্রত পাল চৌধুরী অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব। সর্বশেষ তার কর্মস্থল ছিল প্রকল্প পরিচালক, ডিআরএমইপি প্রকল্প, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর, মহাখালী, ঢাকা। তিনি জাইকা প্রকল্পেরও পিডি ছিলেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে ভারতে পাচার করেছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। তার আপন ভায়রা কার্তিক কুমারের ব্যাংক হিসাবে ঘুসের টাকা লেনদেন করতেন। - সনাতনধর্মী হওয়ায় সদ্য পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও মন্ত্রীর সাথে তার অতিঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। আর সে সুবাদেই জাইকা প্রকল্পের পিডি পদটি হাতিয়ে নেন।
- অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এই প্রকল্পের আওতায় ব্রীজ, কার্লভাট নির্মাণের নামে ভুয়া বিল ভাউচারে হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছেন। এবং সেই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে ইন্ডিয়ায় পাচার করেছেন। ভারতে তার ইডেন গার্ডেন এলাকায় ৫টি বাড়ি আছে। দুইটা আবাসিক হোটেল আছে। তার স্ত্রী সন্তান সবাই ভারতে থাকেন।
তিনি জাইকা প্রকল্পের পিডি ছিলেন ৫ বছর। এই সময়ে ভুয়া ভাউচার দিয়েই শত কোটি টাকা তুলে নেন। তিনি অবৈধভাবে দুইটি পাসপোর্টও তৈরি করেছেন। একটি ইন্ডিয়ান একটি বাংলাদেশী।
সুব্রত পাল চৌধুরী পিআরএল (অবসর) গ্রহনের পর পরই ভারতে চলে যান। এখন বেতনের টাকা তুলতে মাঝে মাঝে বাংলাদেশে আসেন। তার সময়ের জাইকা প্রকল্পের ফাইলগুলো নীরিক্ষা করলেই হাজার কোটি টাকা লোপাটের তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
অনতিবিলম্বে তার পেনশন ফাইল স্থগিত করে দুর্নীতি, টাকা পাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের তদন্তের দাবী তুলেছেন দুর্যোগ অধিদপ্তরের দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
ট্যাগস :











