০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তদন্ত ও বিভাগীয় শাস্তি দাবী: বিসিক কর্মকর্তার সরকার বিরোধী ফেসবুক পোষ্ট নিয়ে তোলপাড়!

প্রতিনিধির নাম:

 

স্টাফ রিপোর্টার

মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান রাশেদ বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক পদমর্যাদার একজন সরকারী কর্মকর্তা। যিনি বুয়েট ছাত্রলীগের হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক বা জিএস ছিলেন। ১৯ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে “ফ্যাসিবাদ ও নব্য ফ্যাসিবাদ উভয়ই পরিত্যাজ্য” উল্লেখ করে একটি পোষ্ট দিয়েছেন। ২২ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে “লুটপাট, হিংসা, ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করে বন্যার্তদের সাহায্য করুন। বন্যায় দল অনুযায়ী প্রাণহানি হচ্ছে না সবাই মরছে” মর্মে আরেকটি পোষ্ট দিয়েছেন। ৩০ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে “ধৈর্য, কেবল ধৈর্যই শান্তি রক্ষা করতে পারে। ২ঘণ্টারও অধিক সময় ভোগরা বাইপাসে বসে আছি, গণতান্ত্রিক পরিবেশে!” মর্মে আরেকটি পোষ্ট দিয়েছেন। যা উস্কানীমূলক এবং এটিও চরম দুঃসাহসিক আচরণ।

সারাবিশ্ব যেখানে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে সেখানে বুয়েট ছাত্র লীগের হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক বা জিএস মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান রাশেদ একজন সরকারী কর্মচারি হয়েও দুঃসাহসিক এবং উস্কানীমূলক পোষ্ট দিয়ে এখনও কিভাবে বহাল তবিয়তে বিসিক প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত আছেন-এটা ভাবতেও অবাক লাগে।
তার দেয়া পোষ্ট কোন এক অজ্ঞাত কারণে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার নজরে পড়েনি, নজরে পড়েনি অন্তরবর্তীকালীন সরকারের কর্তা ব্যক্তিদেরও। যার দরুন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে ধারনা করা যায়। আলোচনার টেবিলে এও বলতে শুনা গেছে যে, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের বৈধতা নেই। একজন সরকারী কর্মচারির সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার দুঃসাহস আসে কোথা থেকে?
১৫৮১ জন ছাত্র জনতা শহীদ হওয়ার বিনিময়ে অর্জিত দ্বতীয় স্বাধীনতা বা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের কাংখিত সাফল্য ধুলিস্যাত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে রাশেদের মত স্বৈরাচারের দোসররা। তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করার এখন ইউপযুক্ত সময়। আর যদি তা করা না হয় আবু সাইদ, মুগ্ধ এবং অন্যান্য শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করার সামিল হবে।
বুয়েট ছাত্রলীগের হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক বা জিএস মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান রাশেদ এর চরম ধৃষ্টতা এবং উস্কানীমূলক সরকার বিরোধী এই আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী তুলেছেন দেশ প্রেমিক ছাত্র-জনতা। এ ক্ষেত্রে তারা বিসিক চেয়ারম্যান, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:১৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪
২৯৮ বার পড়া হয়েছে

তদন্ত ও বিভাগীয় শাস্তি দাবী: বিসিক কর্মকর্তার সরকার বিরোধী ফেসবুক পোষ্ট নিয়ে তোলপাড়!

আপডেট সময় ০৭:১৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

 

স্টাফ রিপোর্টার

মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান রাশেদ বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক পদমর্যাদার একজন সরকারী কর্মকর্তা। যিনি বুয়েট ছাত্রলীগের হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক বা জিএস ছিলেন। ১৯ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে “ফ্যাসিবাদ ও নব্য ফ্যাসিবাদ উভয়ই পরিত্যাজ্য” উল্লেখ করে একটি পোষ্ট দিয়েছেন। ২২ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে “লুটপাট, হিংসা, ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করে বন্যার্তদের সাহায্য করুন। বন্যায় দল অনুযায়ী প্রাণহানি হচ্ছে না সবাই মরছে” মর্মে আরেকটি পোষ্ট দিয়েছেন। ৩০ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে “ধৈর্য, কেবল ধৈর্যই শান্তি রক্ষা করতে পারে। ২ঘণ্টারও অধিক সময় ভোগরা বাইপাসে বসে আছি, গণতান্ত্রিক পরিবেশে!” মর্মে আরেকটি পোষ্ট দিয়েছেন। যা উস্কানীমূলক এবং এটিও চরম দুঃসাহসিক আচরণ।

সারাবিশ্ব যেখানে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে সেখানে বুয়েট ছাত্র লীগের হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক বা জিএস মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান রাশেদ একজন সরকারী কর্মচারি হয়েও দুঃসাহসিক এবং উস্কানীমূলক পোষ্ট দিয়ে এখনও কিভাবে বহাল তবিয়তে বিসিক প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত আছেন-এটা ভাবতেও অবাক লাগে।
তার দেয়া পোষ্ট কোন এক অজ্ঞাত কারণে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার নজরে পড়েনি, নজরে পড়েনি অন্তরবর্তীকালীন সরকারের কর্তা ব্যক্তিদেরও। যার দরুন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে ধারনা করা যায়। আলোচনার টেবিলে এও বলতে শুনা গেছে যে, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের বৈধতা নেই। একজন সরকারী কর্মচারির সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার দুঃসাহস আসে কোথা থেকে?
১৫৮১ জন ছাত্র জনতা শহীদ হওয়ার বিনিময়ে অর্জিত দ্বতীয় স্বাধীনতা বা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের কাংখিত সাফল্য ধুলিস্যাত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে রাশেদের মত স্বৈরাচারের দোসররা। তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করার এখন ইউপযুক্ত সময়। আর যদি তা করা না হয় আবু সাইদ, মুগ্ধ এবং অন্যান্য শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করার সামিল হবে।
বুয়েট ছাত্রলীগের হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক বা জিএস মোহাম্মদ রাশেদুর রহমান রাশেদ এর চরম ধৃষ্টতা এবং উস্কানীমূলক সরকার বিরোধী এই আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী তুলেছেন দেশ প্রেমিক ছাত্র-জনতা। এ ক্ষেত্রে তারা বিসিক চেয়ারম্যান, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদক্ষেপ কামনা করেছেন।