০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম:

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির  অভিযোগ উঠেছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দরপত্রে দুর্নীতিসহ প্রতিষ্ঠানের অনিয়মিত শ্রমিক পদে অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ করা হয়।

মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে বিগত সরকারের আমলে অনিয়মের আতুর ঘর বানিয়েছন তিনি।

সূত্র জানায়, এর আগে ৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি এছাড়াও আরও ১৬ জনকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগের সময় বিভিন্ন কোম্পানির সাথে লিয়াজো করে ব্যবসা করেছেন তিনি।

স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর লবিংয়ের মাধ্যমে তার পদে বহাল রয়েছেন।

এর আগে গত ৪ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের পক্ষ নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সামনে ছাত্র বিরোধী আন্দোলন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচলকরা। এদের প্রথম সারিতে ছিলেন ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।

বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তি বলে দাবি করছেন এবং তিনি সারাজীবন জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও দাবি করেন।

কিন্তু গত ১৭ বছরের আওয়ামী সরকারের শাসন আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন বলে জানা যায়। যার ফলশ্রুতিতে তিনি মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনিস্টিউটের পরিচালকের দায়িত্ব পান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৭১ বার পড়া হয়েছে

প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ!

আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির  অভিযোগ উঠেছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দরপত্রে দুর্নীতিসহ প্রতিষ্ঠানের অনিয়মিত শ্রমিক পদে অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ করা হয়।

মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে বিগত সরকারের আমলে অনিয়মের আতুর ঘর বানিয়েছন তিনি।

সূত্র জানায়, এর আগে ৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি এছাড়াও আরও ১৬ জনকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগের সময় বিভিন্ন কোম্পানির সাথে লিয়াজো করে ব্যবসা করেছেন তিনি।

স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর লবিংয়ের মাধ্যমে তার পদে বহাল রয়েছেন।

এর আগে গত ৪ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের পক্ষ নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সামনে ছাত্র বিরোধী আন্দোলন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচলকরা। এদের প্রথম সারিতে ছিলেন ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।

বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তি বলে দাবি করছেন এবং তিনি সারাজীবন জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও দাবি করেন।

কিন্তু গত ১৭ বছরের আওয়ামী সরকারের শাসন আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন বলে জানা যায়। যার ফলশ্রুতিতে তিনি মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনিস্টিউটের পরিচালকের দায়িত্ব পান।