০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংস্কারের মাহেন্দ্রক্ষণে অভিনন্দন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

প্রতিনিধির নাম:

ড. ইউনূসের জন্মদিন ২৮ জুন তারিখটি গত এক দশকের বেশি সময় ধরিয়া বৈশ্বিকভাবে ‘সামাজিক ব্যবসায় দিবস’ হিসাবে পালন করা হইয়া থাকে। পৃথিবীর ৮০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে তাহার নামে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস সেন্টার’ প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে, সেইখানে ড. ইউনূসের চিন্তা, কাজ, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও তাহার জীবনাদর্শ লইয়া গবেষণা হয়। এখন পর্যন্ত ২৪টি দেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে তিনি ৬০টির মতো সম্মানসূচক ডিগ্রি পাইয়াছেন। সারা বিশ্ব হইতে শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করিয়াছেন। কানাডা ও জাপানের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে তাহার জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে। সেই জীবনী নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে হালনাগাদ হইবে কীভাবে তিনি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব লইয়া দেশটিকে কোন উচ্চতায় লইয়া গিয়াছেন। আমাদের সৌভাগ্য যে, এমন একজন বিশ্বখ্যাত আমাদের দেশটিকে নূতন মাত্রায় সংস্কারের অধিনায়ক হইয়াছেন। ইহা তাহার জন্য এবং সারা দেশের জন্য এক অভাবিত মাহেন্দ্রক্ষণ।

প্রায় ১৮ কোটির এই অতি জনঘনত্বের দেশটির সংস্কারসাধন খুব সহজ কাজ নহে। অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ড. ইউনুসের এই যাত্রা। কিন্তু ৮৪ বছরে প্রাজ্ঞ গভীর ধীশক্তিসম্পন্ন, বিচক্ষণ ড. ইউনূস নিশ্চয়ই তাহার জীবনের সবচাইতে বড় দায়িত্বটি সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাইবেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বলিয়াছেন, ‘সেই ধন্য নরকুলে, লোকে যারে নাহি ভুলে।’ তিনি নিশ্চয়ই নূতন বাংলাদেশ গড়িয়া নিজেকে এই নরকূলে ধন্য করিবেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪
১১১ বার পড়া হয়েছে

সংস্কারের মাহেন্দ্রক্ষণে অভিনন্দন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪

ড. ইউনূসের জন্মদিন ২৮ জুন তারিখটি গত এক দশকের বেশি সময় ধরিয়া বৈশ্বিকভাবে ‘সামাজিক ব্যবসায় দিবস’ হিসাবে পালন করা হইয়া থাকে। পৃথিবীর ৮০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে তাহার নামে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস সেন্টার’ প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে, সেইখানে ড. ইউনূসের চিন্তা, কাজ, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও তাহার জীবনাদর্শ লইয়া গবেষণা হয়। এখন পর্যন্ত ২৪টি দেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে তিনি ৬০টির মতো সম্মানসূচক ডিগ্রি পাইয়াছেন। সারা বিশ্ব হইতে শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করিয়াছেন। কানাডা ও জাপানের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে তাহার জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে। সেই জীবনী নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে হালনাগাদ হইবে কীভাবে তিনি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব লইয়া দেশটিকে কোন উচ্চতায় লইয়া গিয়াছেন। আমাদের সৌভাগ্য যে, এমন একজন বিশ্বখ্যাত আমাদের দেশটিকে নূতন মাত্রায় সংস্কারের অধিনায়ক হইয়াছেন। ইহা তাহার জন্য এবং সারা দেশের জন্য এক অভাবিত মাহেন্দ্রক্ষণ।

প্রায় ১৮ কোটির এই অতি জনঘনত্বের দেশটির সংস্কারসাধন খুব সহজ কাজ নহে। অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ড. ইউনুসের এই যাত্রা। কিন্তু ৮৪ বছরে প্রাজ্ঞ গভীর ধীশক্তিসম্পন্ন, বিচক্ষণ ড. ইউনূস নিশ্চয়ই তাহার জীবনের সবচাইতে বড় দায়িত্বটি সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাইবেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বলিয়াছেন, ‘সেই ধন্য নরকুলে, লোকে যারে নাহি ভুলে।’ তিনি নিশ্চয়ই নূতন বাংলাদেশ গড়িয়া নিজেকে এই নরকূলে ধন্য করিবেন।