০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রদল নেতাসহ দুজন নিহত

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরায় আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষে ছাত্রদলের নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় সংঘর্ষে নিহত হন জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান (রাব্বি) । তাঁর বাড়ি পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায়। দুপুর ১২টার দিকে মহম্মদপুর থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান সুমন শেখ (১৮) নামের এক তরুণ। তিনি উপজেলার বালিদিয়া গ্রামের কান্নু শেখের ছেলে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের পরিচালক মহসিন উদ্দিন জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর শরীরে গুলিবিদ্ধ হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক জানান, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি পালন করতে আন্দোলনকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পর শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় অবস্থান নেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিএনপি–ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। অন্যদিকে ঢাকা রোড বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা ছিলেন। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় মেহেদী হাসান গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

আন্দোলনকারীরা আজ সকালে মহম্মদপুর উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল করেন। এক পর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে মহম্মদপুর থানা এলাকায় আসেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সুমন শেখ।

মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৌমেন সাহা জানান, মৃত অবস্থায় এক তরুণের মরদেহ হাসপাতালে এনেছিলেন কয়েকজন। পরে তাঁরা মরদেহ নিয়ে গেছেন। প্রায় ৪০ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঠাকুর দাস মন্ডল  বলেন, আমিনুর রহমান ডিগ্রি কলেজ, বাজার ও থানা এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে। থানায় হামলা হয়েছিল। হতাহতের বিষয়ে নিশ্চিত বলতে পারছি না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪
১৫৯ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রদল নেতাসহ দুজন নিহত

আপডেট সময় ০৪:১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

মাগুরায় আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষে ছাত্রদলের নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় সংঘর্ষে নিহত হন জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান (রাব্বি) । তাঁর বাড়ি পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায়। দুপুর ১২টার দিকে মহম্মদপুর থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান সুমন শেখ (১৮) নামের এক তরুণ। তিনি উপজেলার বালিদিয়া গ্রামের কান্নু শেখের ছেলে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের পরিচালক মহসিন উদ্দিন জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর শরীরে গুলিবিদ্ধ হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক জানান, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি পালন করতে আন্দোলনকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পর শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় অবস্থান নেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিএনপি–ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। অন্যদিকে ঢাকা রোড বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা ছিলেন। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় মেহেদী হাসান গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

আন্দোলনকারীরা আজ সকালে মহম্মদপুর উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল করেন। এক পর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে মহম্মদপুর থানা এলাকায় আসেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সুমন শেখ।

মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৌমেন সাহা জানান, মৃত অবস্থায় এক তরুণের মরদেহ হাসপাতালে এনেছিলেন কয়েকজন। পরে তাঁরা মরদেহ নিয়ে গেছেন। প্রায় ৪০ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঠাকুর দাস মন্ডল  বলেন, আমিনুর রহমান ডিগ্রি কলেজ, বাজার ও থানা এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে। থানায় হামলা হয়েছিল। হতাহতের বিষয়ে নিশ্চিত বলতে পারছি না।