৩বছরেও হাইকোর্টের নির্দেশ প্রতিপালন করেনি দুদক!
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি প্রকল্পের নির্মাণ কাজের দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুদুকের চেয়ারম্যান ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ডিজি বরাবর একাধিক আবেদন করার পরেও কোন প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে উচ্চ আদালতের স্মরনাপন্ন হন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঠিকাদার মেসার্স আরপিএস এন্টারপ্রাইজের মালিক আবদুল কুদ্দুস হাওলাদার সেন্টু।
তার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রীট নং ৬১৪২/২০২১ এর প্রেক্ষিতে বিগত ১৯/০৭/২০২১ইং তারিখে আদেশ প্রাপ্তির ৪ মাসের মধ্যে অভিযোগ সমূহ তদন্ত করে সুপ্রিম কোর্টের রেজিষ্টারের মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার জন্য দুদক চেয়ারম্যানকে নির্দেশ প্রদান করেন।
কিন্তু অভিযোগকারীর সংগে আলাপ করে জানা যায়,দীঘ ৩ বছর অতিবাহিত হলেও এবং এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলেও দুদুক আজ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন উচ্চ আদালতে জমা দেয়নি। অন্যদিকে উক্ত প্রকল্পের সুচতুর প্রকল্প পরিচালক ডা: মো: জাহাংগীর আলম অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত যাবতীয় কাজের বিল ঠিকাদারকে পরিশোধ করে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, অনুমোদিত ডিপিপিতে ৫ গ্রেডের কর্মকর্তাকে পিডি নিয়োগের সংস্থান থাকলেও ডা: জাহাংগীর তৎকালীন মন্ত্রীকে ম্যানেজ করে ৬ষ্ট গ্রেডের ( উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা) কর্মকতা থাকাকালীন অনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে পিডির পদটি বাগিয়ে নেন। অভিযোগকারী আরো জানান, বর্তমানে ডা: জাহাংগীরের ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব নিলেই প্রমাণিত হবে কি পরিমান অনিয়ম, দূর্নীতি তিনি করেছেন এই প্রকল্পে।
অধিদপ্তরের অনেকের মতামত, পিডি জাহাংগীর তার অনৈতিক কাজ ধামাচাপা দেয়ার জন্য দুদুকের তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তদন্ত প্রতিবেদন ৩ বছরকাল ঝুঁলিয়ে রেখেছেন বা প্রতিবেদন প্রদানে বিলম্ব ঘটাচ্ছেন। রীট আবেদনকারী ঠিকাদার এই বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ।











