০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সায়েন্স হাউসের জাল স্টিকার বাণিজ্য আর কতদিন চলবে?

প্রতিনিধির নাম:

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কালো তালিকাভুক্ত, সমাজসেবা অধিদপ্তরে জামানত বাজেয়াপ্তকৃত এবং প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা প্রকল্পে জাল স্টিকার লাগিয়ে চায়নার পণ্যকে ইউরোপিয়ান পণ্য হিসাবে চালিয়ে দেওয়ার কারিগর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস” কর্তৃক এলডিডিপি প্রকল্পে সরবরাহকৃত প্রায় ৬৩ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকার যন্ত্রপাতিও (মিল্ক ক্রিম সেপারেটর মেশিন, ডায়াগনস্টিক কিট, কিট বক্স, সিরিন্জ,নিডিল সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি) নিন্মমানের এবং জাল স্টিকার লাগিয়ে সরবরাহ
করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি এলডিডিপি প্রকল্পের পিডি, মন্ত্রণালয়ের সচিবকে তদন্ত করার জন্য একাধিকবার লিখিতভাবে অনুরোধ জানানো হলেও এলডিডিপি প্রকল্পের ডিপিডি ডা: দীপ্ত, সাবেক
ডিপিডি মুস্তানুর ও সিটিসি ডা: মো: গোলাম রব্বানীর তদবীরে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং কালো তালিকাভুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সায়েন্স হাউসকে কাজ দেয়ার বিষয়ে এসকল কর্মকর্তাকে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছেন বলে
অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে সরবরাহের কাজ করে এমন একাধিক ঠিকাদারের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, “বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজের” মালিক মো: আব্দুল আওয়াল তার অনৈতিক কাজের জন্য সকলের নিকট স্টিকার আওয়াল নামেও পরিচিত। তথ্য মতে এলআরআই মহাখালীতে ও আহারী কুমিল্লায় বিগত বছর সমূহে বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজ ও অন্য নামে এই আওয়াল উন্নত মানের মালামাল সরবরাহের দরপত্র দাখিল করে নিম্ন মানের যন্ত্রপাতি/মালামাল সরবরাহ করে কোটি- কোটি টাকার বিল নিয়েছেন ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান, এলডিডিপি প্রকল্পে লুটপাট হচ্ছে দেখার কেউ নেই।
বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস কর্তৃক সরবরাহকৃত মালামাল গুলি বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা তদন্ত করালেই বিষয়টি প্রমানিত হবে।
এক কর্মকর্তা জানান, ল্যাবরেটরীর হার্ডওয়ার এন্ড সফটওয়ার সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস ২০২১ সালে মোট ৭৯,৮২,৫০০/ টাকার বিল গ্রহন করলেও কোন কাজ করেনি। কর্তৃপক্ষের তথা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের এ দিকে নজর দেয়া দরকার বলে সুশীল সমাজ মনে করেন।
আলোচ্য বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতঃ অভিযোগগুলি তদন্ত করা এবং তদন্ত কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজের অনুকূলে কোন কার্যাদেশ না দেয়ার জন্যেও তারা মতামত প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদক্ষেপ জরুরী হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪
২১৭ বার পড়া হয়েছে

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সায়েন্স হাউসের জাল স্টিকার বাণিজ্য আর কতদিন চলবে?

আপডেট সময় ০৫:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কালো তালিকাভুক্ত, সমাজসেবা অধিদপ্তরে জামানত বাজেয়াপ্তকৃত এবং প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা প্রকল্পে জাল স্টিকার লাগিয়ে চায়নার পণ্যকে ইউরোপিয়ান পণ্য হিসাবে চালিয়ে দেওয়ার কারিগর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস” কর্তৃক এলডিডিপি প্রকল্পে সরবরাহকৃত প্রায় ৬৩ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকার যন্ত্রপাতিও (মিল্ক ক্রিম সেপারেটর মেশিন, ডায়াগনস্টিক কিট, কিট বক্স, সিরিন্জ,নিডিল সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি) নিন্মমানের এবং জাল স্টিকার লাগিয়ে সরবরাহ
করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি এলডিডিপি প্রকল্পের পিডি, মন্ত্রণালয়ের সচিবকে তদন্ত করার জন্য একাধিকবার লিখিতভাবে অনুরোধ জানানো হলেও এলডিডিপি প্রকল্পের ডিপিডি ডা: দীপ্ত, সাবেক
ডিপিডি মুস্তানুর ও সিটিসি ডা: মো: গোলাম রব্বানীর তদবীরে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং কালো তালিকাভুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সায়েন্স হাউসকে কাজ দেয়ার বিষয়ে এসকল কর্মকর্তাকে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছেন বলে
অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে সরবরাহের কাজ করে এমন একাধিক ঠিকাদারের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, “বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজের” মালিক মো: আব্দুল আওয়াল তার অনৈতিক কাজের জন্য সকলের নিকট স্টিকার আওয়াল নামেও পরিচিত। তথ্য মতে এলআরআই মহাখালীতে ও আহারী কুমিল্লায় বিগত বছর সমূহে বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজ ও অন্য নামে এই আওয়াল উন্নত মানের মালামাল সরবরাহের দরপত্র দাখিল করে নিম্ন মানের যন্ত্রপাতি/মালামাল সরবরাহ করে কোটি- কোটি টাকার বিল নিয়েছেন ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান, এলডিডিপি প্রকল্পে লুটপাট হচ্ছে দেখার কেউ নেই।
বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস কর্তৃক সরবরাহকৃত মালামাল গুলি বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা তদন্ত করালেই বিষয়টি প্রমানিত হবে।
এক কর্মকর্তা জানান, ল্যাবরেটরীর হার্ডওয়ার এন্ড সফটওয়ার সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস ২০২১ সালে মোট ৭৯,৮২,৫০০/ টাকার বিল গ্রহন করলেও কোন কাজ করেনি। কর্তৃপক্ষের তথা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের এ দিকে নজর দেয়া দরকার বলে সুশীল সমাজ মনে করেন।
আলোচ্য বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতঃ অভিযোগগুলি তদন্ত করা এবং তদন্ত কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজের অনুকূলে কোন কার্যাদেশ না দেয়ার জন্যেও তারা মতামত প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদক্ষেপ জরুরী হয়ে পড়েছে।