০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিলাম দরপত্রে রাজস্ব ফাঁকির কারসাজি! খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এ নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার এর দুর্নীতির রাজত্ব আর কতদিন চলবে?

প্রতিনিধির নাম:

খুলনা ব্যুরো

গণপূর্ত অধিদপ্তর এর খুলনা বিভাগ-১ এ নিলাম দরপত্রে অনিয়ম ও সরকারের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ এনে স্থানীয় ঠিকাদারের পক্ষে মাহবুব মোল্লা নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসন খুলনা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। উক্ত অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৭/১/২০২৪ ইং তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী খুলনা গণপূর্ত বিভাগ -১,খুলনা কর্তৃক স্বাক্ষরিত নিলাম দরপত্রের মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশিত হয়। কিন্তু পিপিআর ২০০৮ এর নীতিমালা অনুযায়ী দরপত্র প্রতিদিন গ্রহন করার জন্য নির্ধারিত রাখার পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি দিনের দরপত্র গ্রহণ করার জন্য দিন ধার্য্য করা হয়। শুধু তাই নয়, দরপত্র গ্রহণ করার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অথবা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় কিংবা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় বিকল্প স্থান রাখা হয়নি।এর ফলে নির্দিষ্ট স্থানে কোন প্রকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বাহিনীর না রাখার কারণে কতিপয় দুর্বৃত্ত ও পেশিশক্তির লোকজন সাধারণ ঠিকাদারদের দরপত্র দাখিলে বাঁধা প্রদান করেন।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয় যে, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার চুক্তিতে নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার ওইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এর ফলে প্রতিযোগিতার অন্য ঠিকাদারগন অংশগ্রহণ না করতে পারলে সিন্ডিকেট ঠিকাদাররা কম মূল্যে সরকারি সম্পত্তি নিলাম করতে পারবে এর ফলে সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব হারাবে। সূত্রে আরো জানা গেছে, খুলনা সিএন্ডবি কলোনির স্থানে নভোথিয়েটর স্থাপন করার লক্ষ্যে এ টাইপ -১২টি ভবন ও খুলনা জোড়া গেট আবাসিক এলাকায় ১টি সহ মোট ১৩ টি ভবন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে দরপত্র আহবান করা হয়।
এর আগেও এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে একটি প্রকল্পের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সেটি এখন দুদকের তদন্তাধীন আছে। সে বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার এর সেল ফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি। হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালেও তিনি কোন রিপ্লায় দেন নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
৫৭২ বার পড়া হয়েছে

নিলাম দরপত্রে রাজস্ব ফাঁকির কারসাজি! খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এ নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার এর দুর্নীতির রাজত্ব আর কতদিন চলবে?

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

খুলনা ব্যুরো

গণপূর্ত অধিদপ্তর এর খুলনা বিভাগ-১ এ নিলাম দরপত্রে অনিয়ম ও সরকারের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ এনে স্থানীয় ঠিকাদারের পক্ষে মাহবুব মোল্লা নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসন খুলনা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। উক্ত অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৭/১/২০২৪ ইং তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী খুলনা গণপূর্ত বিভাগ -১,খুলনা কর্তৃক স্বাক্ষরিত নিলাম দরপত্রের মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশিত হয়। কিন্তু পিপিআর ২০০৮ এর নীতিমালা অনুযায়ী দরপত্র প্রতিদিন গ্রহন করার জন্য নির্ধারিত রাখার পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি দিনের দরপত্র গ্রহণ করার জন্য দিন ধার্য্য করা হয়। শুধু তাই নয়, দরপত্র গ্রহণ করার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অথবা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় কিংবা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় বিকল্প স্থান রাখা হয়নি।এর ফলে নির্দিষ্ট স্থানে কোন প্রকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বাহিনীর না রাখার কারণে কতিপয় দুর্বৃত্ত ও পেশিশক্তির লোকজন সাধারণ ঠিকাদারদের দরপত্র দাখিলে বাঁধা প্রদান করেন।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয় যে, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার চুক্তিতে নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার ওইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এর ফলে প্রতিযোগিতার অন্য ঠিকাদারগন অংশগ্রহণ না করতে পারলে সিন্ডিকেট ঠিকাদাররা কম মূল্যে সরকারি সম্পত্তি নিলাম করতে পারবে এর ফলে সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব হারাবে। সূত্রে আরো জানা গেছে, খুলনা সিএন্ডবি কলোনির স্থানে নভোথিয়েটর স্থাপন করার লক্ষ্যে এ টাইপ -১২টি ভবন ও খুলনা জোড়া গেট আবাসিক এলাকায় ১টি সহ মোট ১৩ টি ভবন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে দরপত্র আহবান করা হয়।
এর আগেও এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে একটি প্রকল্পের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সেটি এখন দুদকের তদন্তাধীন আছে। সে বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার এর সেল ফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি। হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালেও তিনি কোন রিপ্লায় দেন নি।