০৩:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণপূর্ত অধিদপ্তরের দৃষ্টিনন্দন ৯ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম:

রোস্তম মল্লিক

গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ফ্লাট নির্মাণের ৯ প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১৫ নভেম্বর ভার্চুয়ালী এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করনে। এ সময় প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী,সচিব,গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও সকল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নির্বাহী প্রকৌশলী (পিডি) দের প্রশংসা করেন।
ঢাকার জিগাতলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য ২৮৮ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩০৩৮৪ লক্ষ টাকা। গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তাদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ১টি ১৫০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৪৮টি ফ্ল্যাট, ৩টি ১২৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ১৪৪টি ফ্ল্যাট, ২টি ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৯৬টি ফ্ল্যাট সহ মোট ২৮৮টি ফ্ল্যাট এবং ১টি ৫০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ৬ তলা কমিউনিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে বৃহদাকার খেলার মাঠ, হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে, মনোরম জলাধার ও এর চারপাশে বসা ও হাঁটার স্থান, নিজস্ব গভীর নলকূপ দ্বারা সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা, সিসিটিভি দ্বারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থা। জলাধার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার, পরিকল্পিত বৃক্ষ রোপণ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, জ্বালানী গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য রেটিকুলেটেড প্রি-পেইড এলপিজি গ্যাস সিস্টেমের ব্যবস্থা প্রভৃতি।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদস্থ সিজিএস কলোনিতে ৯ বহুতল আবাসিক ভবনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৬৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই হতে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৮২৯৩.৫৭ লক্ষ টাকা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তাদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৬৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ২টি ২০ তলা ভবনে ১৫২ টি ফ্ল্যাট, ৮৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ৪টি ২০ তলা ভবনে ৩০৪ টি ফ্ল্যাট, ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ৩টি ২০ তলা ভবনে ২২৮ টি ফ্ল্যাট সহ মোট ৬৮৪ টি ফ্ল্যাট এবং ১টি কমিউনিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। খেলার মাঠ, হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে, মনোরম জলাধার ও এর চারপাশে বসা ও হাঁটার স্থান, নিজস্ব গভীর নলকূপ দ্বারা সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা। জলাধার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার, পরিকল্পিত বৃক্ষ রোপণ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, জ্বালানী গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য রেটিকুলেটেড প্রি-পেইড এলপিজি গ্যাস সিস্টেমের ব্যবস্থা প্রভৃতি।
মানিকগঞ্জে বহুতল বিশিষ্ট সমন্বিত সরকারি অফিস ভবন নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৯ সালের জুলাই হতে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৯৫৬৪.৬২ লক্ষ টাকা। জেলা সদরে সকল প্রকার দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত স্থান সংকুলানের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে জনসাধারণের জন্য সরকারি বহুবিধ সেবা একটি অফিস ভবন থেকে দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
ঢাকার সেগুনবাগিচায় স্থাপত্য ভবনের সম্প্রসারণ যা ৭ তলা থেকে ১০ তলায় উন্নীতকরণ ও ভবনের আধুনিকায়ন করা হয়। প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুলাই হতে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪২৬৯.৭৩ লক্ষ টাকা। স্থাপত্য অধিদপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাপ্তরিক স্থান সংকুলানসহ সুন্দর কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ৭ম তলা থেকে ১০ তলা পযন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। অফিস কক্ষ, কনফারেন্স কক্ষ, ডকুমেন্টেশন কক্ষ, রেকর্ড রুম, মাল্টিপারপাস হল (৩৫০ জন ধারণক্ষমতা) এবং আনুষাঙ্গিক কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

ঢাকাস্থ আজিমপুর সরকারি কলোনির অভ্যন্তরে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (জোন-এ) প্রকল্পটি ২০১৯ সালের জানুয়ার থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৯২১৮০.৫৭ লক্ষ টাকা।সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা প্রদান, উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মান বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৩টি ১৮০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ২২৮টি ফ্ল্যাট, ৮ টি ১৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৬০৮টি ফ্ল্যাট এবং ৪ টি ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ১৫টি ২০ তলা ভবনে ১১৪০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া ৬ তলা বিশিষ্ট একটি মাল্টিপারপাস ভবন। এছাড়াও ৬ তলা বিশিষ্ট ০২ টি সার্ভিস-মেইন্ট্যানেন্স ভবন, ৪ তলা বিশিষ্ট ২ টি ক্লাব হাউজ, ২ তলা বিশিষ্ট ২ টি চিলড্রেন্স ক্লাব হাউজ, ২ তলা বিশিষ্ট একটি বোট ক্লাব নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির ৩টি ১৮০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ২২৮টি ফ্ল্যাট, ৪ টি ১৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাট এবং ৪ টি ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ১১ টি ভবনে ৮৩৬ টি ফ্ল্যাট নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে।
নবনির্মিত প্রতিটি ভবনের নিচে বেসমেন্টে কার পার্কিং এর ব্যবস্থা রয়েছে, এছাড়াও একটি ১২ তলা মেকানিক্যাল কার পার্কিং ভবনের সংস্থান রয়েছে।

ঢাকার মিরপুর পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের অক্টোবর হতে ২০২৪ সালের জুনে মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১০৮৮৪৫.৬০ লক্ষ টাকা। আবাসন সুবিধা প্রদান, উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের কাজের মান বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৭টি ৮৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৮১৬টি ফ্ল্যাট, ৮টি ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৩৮৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ২৫টি ১৩ তলা ভবনে ১২০০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
এছাড়াও প্রকল্পটির ১৩টি ৮৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৬২৪টি ফ্ল্যাট, ৫টি ১০০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ২৪০টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ১৮টি ভবনে ৮৬৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ২০ পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩৯৮ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (সংশোধিত ৩১১টি) প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৫৮৫৩.০৪ লক্ষ টাকা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা প্রদান, উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মান বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৮০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৮ টি ফ্ল্যাট, ১৫০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৪৭টি ফ্ল্যাট, ১২৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩২টি ফ্ল্যাট এবং ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ৩১১টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সর্বমোট ১৪টি ভবনে ২৩১টি ফ্ল্যাট নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম শহরে পরিত্যক্ত বাড়িতে সরকারি আবাসিক ফ্ল্যাট ও ডরমিটরি ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ২০২৫ জুনে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৭৬৬০.৯৫ লক্ষ টাকা। সরকারি জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা, সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মানসম্পন্ন আবাসন নিশ্চিত হওয়ায় সেবার মান বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা ও বেদখল হওয়া থেকে সরকারী জমি রক্ষা করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ১০টি ভবনে ৪১৪টি ফ্ল্যাট, ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ৪টি ভবনে ১৬২টি ফ্ল্যাটসহ ৫৭৬টি ফ্ল্যাট এবং ১টি ভবনে ৬৪টি ডরমিটরি রুম (প্রতি ইউনিট ২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট) নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সর্বমোট ৪টি ভবনে ১৬০টি ফ্ল্যাট ও ৬৪টি ডরমিটরি রুম নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। ঢাকাস্থ সোবহানবাগ মসজিদের আধুনিকায়ন এবং উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের মার্চ হতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬০৮৯.৬৮ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার শূন্য দশমিক ৩৫ একর জায়গার উপর ঐতিহ্যবাহী সোবহানবাগ মসজিদটি পুননির্মাণ করে ৪ তলা মসজিদকে ১০ তলায় উন্নীতকরণ করা হয়েছে এবং ১টি ৩ তলা বিশিষ্ট অস্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের সেমি-বেসমেন্টে মাদ্রাসা, ইসলামিক লাইব্রেরী এবং ২য় তলায় মহিলাদের নামাজের স্থান রয়েছে। বর্তমানে পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে প্রায় ৩৫০০ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা ১৫ ফুট প্রসস্থ করা হয়েছে। প্রকল্পের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে মসজিদের সৌন্দর্যবর্ধন কাজ। জলাবদ্ধতা নিরসনে কম্পাউন্ড ড্রেন নির্মাণ এবং সমগ্র মসজিদে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা প্রভৃতি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩
২১৩ বার পড়া হয়েছে

গণপূর্ত অধিদপ্তরের দৃষ্টিনন্দন ৯ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

রোস্তম মল্লিক

গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ফ্লাট নির্মাণের ৯ প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১৫ নভেম্বর ভার্চুয়ালী এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করনে। এ সময় প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী,সচিব,গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও সকল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নির্বাহী প্রকৌশলী (পিডি) দের প্রশংসা করেন।
ঢাকার জিগাতলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য ২৮৮ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩০৩৮৪ লক্ষ টাকা। গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তাদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ১টি ১৫০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৪৮টি ফ্ল্যাট, ৩টি ১২৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ১৪৪টি ফ্ল্যাট, ২টি ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৯৬টি ফ্ল্যাট সহ মোট ২৮৮টি ফ্ল্যাট এবং ১টি ৫০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ৬ তলা কমিউনিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে বৃহদাকার খেলার মাঠ, হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে, মনোরম জলাধার ও এর চারপাশে বসা ও হাঁটার স্থান, নিজস্ব গভীর নলকূপ দ্বারা সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা, সিসিটিভি দ্বারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থা। জলাধার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার, পরিকল্পিত বৃক্ষ রোপণ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, জ্বালানী গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য রেটিকুলেটেড প্রি-পেইড এলপিজি গ্যাস সিস্টেমের ব্যবস্থা প্রভৃতি।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদস্থ সিজিএস কলোনিতে ৯ বহুতল আবাসিক ভবনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৬৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই হতে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৮২৯৩.৫৭ লক্ষ টাকা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তাদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৬৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ২টি ২০ তলা ভবনে ১৫২ টি ফ্ল্যাট, ৮৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ৪টি ২০ তলা ভবনে ৩০৪ টি ফ্ল্যাট, ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ৩টি ২০ তলা ভবনে ২২৮ টি ফ্ল্যাট সহ মোট ৬৮৪ টি ফ্ল্যাট এবং ১টি কমিউনিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। খেলার মাঠ, হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে, মনোরম জলাধার ও এর চারপাশে বসা ও হাঁটার স্থান, নিজস্ব গভীর নলকূপ দ্বারা সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা। জলাধার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার, পরিকল্পিত বৃক্ষ রোপণ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, জ্বালানী গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য রেটিকুলেটেড প্রি-পেইড এলপিজি গ্যাস সিস্টেমের ব্যবস্থা প্রভৃতি।
মানিকগঞ্জে বহুতল বিশিষ্ট সমন্বিত সরকারি অফিস ভবন নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৯ সালের জুলাই হতে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৯৫৬৪.৬২ লক্ষ টাকা। জেলা সদরে সকল প্রকার দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত স্থান সংকুলানের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে জনসাধারণের জন্য সরকারি বহুবিধ সেবা একটি অফিস ভবন থেকে দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
ঢাকার সেগুনবাগিচায় স্থাপত্য ভবনের সম্প্রসারণ যা ৭ তলা থেকে ১০ তলায় উন্নীতকরণ ও ভবনের আধুনিকায়ন করা হয়। প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুলাই হতে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪২৬৯.৭৩ লক্ষ টাকা। স্থাপত্য অধিদপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাপ্তরিক স্থান সংকুলানসহ সুন্দর কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ৭ম তলা থেকে ১০ তলা পযন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। অফিস কক্ষ, কনফারেন্স কক্ষ, ডকুমেন্টেশন কক্ষ, রেকর্ড রুম, মাল্টিপারপাস হল (৩৫০ জন ধারণক্ষমতা) এবং আনুষাঙ্গিক কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

ঢাকাস্থ আজিমপুর সরকারি কলোনির অভ্যন্তরে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (জোন-এ) প্রকল্পটি ২০১৯ সালের জানুয়ার থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৯২১৮০.৫৭ লক্ষ টাকা।সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা প্রদান, উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মান বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৩টি ১৮০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ২২৮টি ফ্ল্যাট, ৮ টি ১৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৬০৮টি ফ্ল্যাট এবং ৪ টি ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ১৫টি ২০ তলা ভবনে ১১৪০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া ৬ তলা বিশিষ্ট একটি মাল্টিপারপাস ভবন। এছাড়াও ৬ তলা বিশিষ্ট ০২ টি সার্ভিস-মেইন্ট্যানেন্স ভবন, ৪ তলা বিশিষ্ট ২ টি ক্লাব হাউজ, ২ তলা বিশিষ্ট ২ টি চিলড্রেন্স ক্লাব হাউজ, ২ তলা বিশিষ্ট একটি বোট ক্লাব নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির ৩টি ১৮০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ২২৮টি ফ্ল্যাট, ৪ টি ১৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাট এবং ৪ টি ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ২০ তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ১১ টি ভবনে ৮৩৬ টি ফ্ল্যাট নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে।
নবনির্মিত প্রতিটি ভবনের নিচে বেসমেন্টে কার পার্কিং এর ব্যবস্থা রয়েছে, এছাড়াও একটি ১২ তলা মেকানিক্যাল কার পার্কিং ভবনের সংস্থান রয়েছে।

ঢাকার মিরপুর পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের অক্টোবর হতে ২০২৪ সালের জুনে মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১০৮৮৪৫.৬০ লক্ষ টাকা। আবাসন সুবিধা প্রদান, উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের কাজের মান বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৭টি ৮৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৮১৬টি ফ্ল্যাট, ৮টি ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৩৮৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ২৫টি ১৩ তলা ভবনে ১২০০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
এছাড়াও প্রকল্পটির ১৩টি ৮৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ৬২৪টি ফ্ল্যাট, ৫টি ১০০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ১৩ তলা ভবনে ২৪০টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ১৮টি ভবনে ৮৬৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ২০ পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩৯৮ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (সংশোধিত ৩১১টি) প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৫৮৫৩.০৪ লক্ষ টাকা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা প্রদান, উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মান বৃদ্ধি করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। সুউচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৮০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৮ টি ফ্ল্যাট, ১৫০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৪৭টি ফ্ল্যাট, ১২৫০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৩২টি ফ্ল্যাট এবং ১০০০ বর্গফুট বিশিষ্ট ১৪টি ফ্ল্যাটসহ সর্বমোট ৩১১টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সর্বমোট ১৪টি ভবনে ২৩১টি ফ্ল্যাট নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম শহরে পরিত্যক্ত বাড়িতে সরকারি আবাসিক ফ্ল্যাট ও ডরমিটরি ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ২০২৫ জুনে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৭৬৬০.৯৫ লক্ষ টাকা। সরকারি জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা, সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মানসম্পন্ন আবাসন নিশ্চিত হওয়ায় সেবার মান বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা ও বেদখল হওয়া থেকে সরকারী জমি রক্ষা করা প্রকল্পটির উদ্দেশ্য। ভবন নির্মাণের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সকল প্রকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করায় আবাসন সমস্যা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। একই সাথে শহরাঞ্চলের মূল্যবান জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৫০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ১০টি ভবনে ৪১৪টি ফ্ল্যাট, ১২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ৪টি ভবনে ১৬২টি ফ্ল্যাটসহ ৫৭৬টি ফ্ল্যাট এবং ১টি ভবনে ৬৪টি ডরমিটরি রুম (প্রতি ইউনিট ২৫০ বর্গফুট ফ্ল্যাট বিশিষ্ট) নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সর্বমোট ৪টি ভবনে ১৬০টি ফ্ল্যাট ও ৬৪টি ডরমিটরি রুম নির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। ঢাকাস্থ সোবহানবাগ মসজিদের আধুনিকায়ন এবং উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের মার্চ হতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬০৮৯.৬৮ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার শূন্য দশমিক ৩৫ একর জায়গার উপর ঐতিহ্যবাহী সোবহানবাগ মসজিদটি পুননির্মাণ করে ৪ তলা মসজিদকে ১০ তলায় উন্নীতকরণ করা হয়েছে এবং ১টি ৩ তলা বিশিষ্ট অস্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের সেমি-বেসমেন্টে মাদ্রাসা, ইসলামিক লাইব্রেরী এবং ২য় তলায় মহিলাদের নামাজের স্থান রয়েছে। বর্তমানে পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে প্রায় ৩৫০০ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা ১৫ ফুট প্রসস্থ করা হয়েছে। প্রকল্পের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে মসজিদের সৌন্দর্যবর্ধন কাজ। জলাবদ্ধতা নিরসনে কম্পাউন্ড ড্রেন নির্মাণ এবং সমগ্র মসজিদে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা প্রভৃতি।