প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের মহাসচিবের ওপর অবান্তর শাস্তি!
বিশেষ প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ ,স্বাধীনতার স্বপক্ষের একটি পেশাজীবি সংগঠন। উক্ত সংগঠনের সভাপতি কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দৃর রাজ্জাক, এবং মহাসচিব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা: মো: আজিজুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনসটিটিউশন, ঢাকা মহানগরীর সভাপতি হিসাবে ড. আব্দুর রাজ্জাক প্যানেল থেকে নির্বাচন করেন। এবং বর্তমানে বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের মহাসচিব। বিগত দিনে বিশেষ করে আগষ্ট মাস (শোকের মাসে) ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযথ ভাবে পালনের জন্য বঙ্গবন্ধ ুভেটেরিনারি পরিষদের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের পরিকল্পনা করে কার্যক্রম গ্রহন করা হয়। গত ৩ ও ৪ আগষ্ট উক্ত কর্মসুচি বানচালের জন্য ডা.মো.আনিছুর রহমান প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সৃজিত হোয়াটসআপ গ্রুপে অশোভবন ,অসৌজন্যমুলক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষপ্রসুত বার্তার আদান প্রদান এবং মহাপরিচালকের নির্দেশ মোতাবেক ১৫ আগষ্ট যথাযথ ভাবে পালনের জন্য বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের পক্ষ থেকে নেওয়া দোয়া মাহফিল ও গণভোজের কর্মসুচি বাতিল করা হয়। উল্লেখ্য যে, গত ২৬/৮/২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম জাতীয় শোক দিবসের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর চত্তরে । সেখানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক চিঠি ইসূ করে মকল কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করেন। পক্ষন্তরে ২৭/০৮/২০২৩ তারিখে কেআইবি অডিটোরিয়ামে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এর উপস্থিতিতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ,দোয়া ও গণভোজ অনুষ্ঠিতি হয় । সে অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক মহাপরিচালক ডা.মো. এমদাদুল হককে নিমন্ত্রণ করা সত্তেও তিনি উপস্তিত ছিলেন না। মহাপরিচালক সহ তার অনুসারি কেউ উপস্থিত ছিলেন না । কিন্তু হঠাৎ গত ০১/১০/২৩ তারিখে পোনে বারটার দিকে ডা. মলয় কুমার শুর (পরিচালক পরিকল্পনা শাখা) ,প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ঢাকা মোবাইল নং ০১৩২৪-২৮৮৮১৩। তিনি পরিচালক ডা: মো: আজিজুল ইসলামকে ফোনের মাধ্যমে কল করে তাঁর অফিসে যাওয়ার জন্য বলেন। কি কারনে যেতে বলেন তা তিনি জ্ঞাত ছিলেন না। ডা. মলয় কুমার শুর (পরিচালক পরিকল্পনা শাখা) এর অফিস কক্ষে পৌছালে অভিযোগ তদন্তের বিষয়ে জানান এবং একই সাথে তদন্তের নোটিশ এবং একটি ১-১৭ পর্যন্তপ্রশ্ন সম্বলিত প্রশ্ন পত্র প্রদান করেন। ডা; মো: আজিজুল ইসলাম তার অফিস কক্ষেই প্রথম অভিযোগর বিষয়ে জানতে পারেন এবং বিস্মিত হন। অভিযোগের বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর তিনি জানান যে, আমার প্রকল্পে ২৭/০৯/২০২৩ হতে ০৪/১০/২০২৩ পর্যন্ত অডিট চলমান,৩/১০/২৩ তারিখে এডিপি মিটিং এবং ৪/১০/২০২৩ তারিখে প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটির মিটিং বিধায় তদন্তের ব্যাপারে সময় প্রদান করা হোক। অফিসিয়াল ব্যস্ততার কারনে সময় প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করলেও এক পর্যায়ে ডা. মলয় কুমার শুর অশালিন ভংগিতে পরিচালক ডা: মো: আজিজুল ইসলামকে রুম হতে বের হয়ে যেতে বলেন অন্যথায় দারোয়ান ডেকে রুম হতে বের করে দেওয়া হবে বলে হুমকি প্রদান করেন। তাঁর এহেন আচরনের জন্য পরিচালক ডা: মো: আজিজুল ইসলাম মহাপরিচালক প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে এর বিচারের জন্য পত্র প্রেরন করেছেন। তদন্তের শুরু থেকেই তদন্ত কর্মকর্তা ডা.মলয় কুমার শুর কোন নোটিশ প্রদান না করায় এবং ১-১৭ প্রশ্নপত্র তাৎক্ষনিক জবাব প্রদানের অহেতুক চাপ সৃষ্টি করার বিষয়টি ছিল উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও হয়রানি করার চক্রান্ত বলে মনে করছেন পরিচালক ডা: মো: আজিজুল ইসলাম।
গত ১২/১০/২৩ তারিখে মন্ত্রণালয় এর সিদ্ধান্ত পুন:বিবেচনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যে পত্র প্রদান করা হয়েছে তা উর্দ্ধোগামী করার জন্য মহাপরিচালককে অনুরাধ করা হয়। একই সঙ্গে মহাপরিচালকের কাছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সৃজিত হোয়াটসআপ গ্রুপে অশোভবন ,অসৌজন্যমুলক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষ প্রসুত বার্তার আদান প্রদান বিষয়ে তাঁর হাত ধরে ক্ষমা চান।
একাধিক সুত্রে জানাগেছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের একটি দুর্ণীতিবাজ দুষ্টচক্র, মিথ্যা,বানোয়াট ভীত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে মহাপরিচালকের দ্বারা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে অশান্ত করার লক্ষে এহেন কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছে । বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদ,বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি ছাত্রপরিষদ এবং এলিও পরিষদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সর্বশেষ জানাগেছে, উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে যে কোন সময় অনাবাংখীত ঘটনা ঘটতে পারে।











