মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, হুমায়ুন ও ফারুক অবৈধভাবে মদ বিক্রি করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এখন তাঁরা কয়েকটি ওয়্যার হাউসের মালিকদের সঙ্গে ব্যবসা করেন। কীভাবে এই কারবার চলছে, তা তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো ওয়্যার হাউসের মালিকের শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় ৫০ লাখ টাকার বিদেশি মদ আমদানির পুঁজি আছে। হুমায়ুন ও ফারুক সরকার ওই মালিককে দিয়ে এক কোটি টাকার মদ বিদেশ থেকে আনান। পরে সেই মদ বাইরে বিক্রি করেন তাঁরা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হুমায়ুন কবির গাজীর বাড়ি ভোলা সদর জেলার রুহিতা গ্রামে। পরিচিত ব্যক্তিরা তাঁকে ‘ভোলাইয়া কবির’ বলে ডাকেন। হুমায়ুন কবির প্রায় দুই দশক আগে ঢাকায় এসে জমি কেনাবেচার দালালি করতেন। পরে ফারুকের সঙ্গে পরিচয় হয়, বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। দুজন মিলে অবৈধ মদ বিক্রির চক্র গড়ে তোলেন। তাঁদের চক্রে আরও কয়েকজন রয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে তাঁদের এই ব্যবসা চলছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মদের কারবার করে হুমায়ুন কবির ঢাকার ভাটারার নূরের চালা এলাকায় একটি আটতলা বাড়ি বানিয়েছেন। তাঁর একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। সেখানেই পরিবার নিয়ে থাকেন তিনি। চড়েন দামি গাড়িতে।
সরেজমিনে গত শুক্রবার ভাটারার নূরের চালা এলাকায় গিয়ে কথা হয় ওই এলাকার একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে। তাঁরা বলেন, হুমায়ুন কবিরকে বড় ব্যবসায়ী হিসেবে জানেন। প্রায় ১০ বছর আগে তিনি আটতলা বাড়িটি বানিয়েছেন। তিনি পরিবার নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় থাকেন। আটতলা বাড়িটি দেখভাল করেন তাঁর মেয়ের জামাই।











