সরকারের বাণিজ্যিক অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষায় এই গুরুতর আর্থিক অনিয়মটি ধরা পড়ে। নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির আগে আর্থিক প্রস্তাবে কিছু সেবার বিপরীতে খরচ যা হবে তার চেয়ে কম দেখানো এবং কিছু সেবা বাবদ খরচ গোপন করা হয়েছে। আবার কিছু সেবা বাবদ ব্যয় আর্থিক প্রস্তাবে না দেখিয়ে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এই কারসাজির সঙ্গে বিমানের বর্তমান একজন পরিচালকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা যুক্ত ছিলেন।
এটাকে সাগর চুরি বলা যায়। এর মাধ্যমে শুধু দুর্নীতি ও ক্ষমতার অব্যবহারই করা হয়নি, পুরো বিষয়টি প্রতারণামূলক। তিনি বলেন, পারস্পরিক যোগসাজশের ভিত্তিতে এই ক্রয় প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখতে হবে।
ইফতেখারুজ্জামান, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক
বিমান সূত্র জানায়, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সেবার গ্লোবাল ইনকরপোরেশনের সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি চুক্তিটি করে বিমান। চুক্তি অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে টিকিট বুকিং ও বিক্রিসংক্রান্ত এজেন্টদের ব্যবহৃত প্রযুক্তি গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (জিডিএস), এয়ারলাইনসের টিকিট বিক্রিসংক্রান্ত প্যাসেঞ্জার সার্ভিস সিস্টেম (পিএসএস), বিমানবন্দরে চেক-ইন ও বোর্ডিং কার্ডসহ অন্যান্য সেবা ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত ডিপারচার কন্ট্রোল সিস্টেম (ডিসিএস), ই-কমার্স, লয়্যালটি সার্ভিসের মতো সেবাগুলো পাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বিমান সূত্র বলছে, ওই সময় বিমানের পরিচালনার পর্ষদকে দেখানো হয় সেবার গ্লোবালের মাধ্যমে এ কাজ করতে খরচ পড়বে ২ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের (প্রায় ২৮২ কোটি টাকা) মতো খরচ পড়বে। এমন প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিমানের পরিচালনা পর্ষদ সেবার গ্লোবালের সঙ্গে চুক্তি করতে অনুমোদন দেয়











