অধ্যাপকের কক্ষ জবর দখলে ২ মাস: শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ডা: দীলিপ ঘোষের মাস্তানী!
স্টাফ রিপোর্টার
সীমাহীন প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনায় ডুবে আছে শেরেবাংলা নগরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি বিধান ভংগ করে পরিচালক তার ইচ্ছাখুশিমত পরিচালনা করছেন এই হাসপাতালটি। ইতিপুর্বে ক্রয়খাতে পিলে চমকানো দুর্নীতি করায় সংবাদপত্রে শিরোনাম হয় হাসপাতালটি। সেটি এখন দুদকের তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়ার ব্যক্তিগত অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়টিও তদন্ত চলছে। তার পরও বন্ধ হচ্ছে না অনিয়ম-দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা।
একাধিক সুত্রে জানাগেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে গত ২ জুলাই ২০২০ তারিখে এক আদেশে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মাদ মাহমুদুজ্জামানকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গ্যাষ্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান/ অধ্যাপক হিসাবে পদায়ন করা হয়। যথা সময়ে তিনি ওই পদে যোগদানও করেন। কিন্ত এতদিন যাবৎ ওই পদে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. দীলিপ কুমার ঘোষ। ফলে বিভাগীয় প্রধানের জন্য বরাাদ্দকৃত কক্ষটিও তিনিই ব্যবহার করতেন। বিধি মোতাবেক সদ্য যোগদানকারী অধ্যাপককে কক্ষটি বুঝিয়ে দেওয়া তার দায়িত্ব ও কর্তব্য হলেও ডা. দীলিপ কুমার ঘোষ সেটি না করে মাস্তানসুলভ কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়েছেন। কক্ষটি আজ প্রায় দুইমাস তিনি অবৈধভাবে নিজ দখলে রেখেছেন। অন্যদিকে তিনি বিভাগীয় প্রধান না হয়েও কক্ষটির নেমপ্লেটে বিভাগীয় প্রধান লিখে রেখেছেন। যা একটি পেশাগত অসাদাচারণ।
এদিকে অধ্যাপক পদে গত ৫ লাই ২০২০ তারিখে যোগদান করেও অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মাদ মাহমুদুজ্জামান তার জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষটি বুঝে পাননি। ফলে তিনি এখানে ওখানে ভাসমানভাবে অবস্থান করছেন। এ কারণে সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করতে পারছেন না। ডা, দীলিপ কুমার ঘোষ কেন তাকে কক্ষটি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না তা জানার জন্য গতকাল সারাদিন চেষ্টা করেও পরিচালক ডা. উত্তম রড়–য়া ও ডা, দীলিপ কুমার ঘোষের নাগাল পাওয়া যায়নি। বার বার মোবাইলে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।














