০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬৫৫ বস্তা চাল আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৪

প্রতিনিধির নাম:

কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির ৬৫৫ বস্তা বা ৩৯ হাজার ৩০০ কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের ২ সদস্যসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। রোববার (২৮ জুন) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এদিকে মামলার ৪ আসামিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন- সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের তারালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, চাম্পাফুল ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল গণি, সাতক্ষীরার বাসিন্দা মো. লিয়াকত হোসেন সরদার, আব্দুল খালেক কারিগর।

এ ছাড়া বাকি দুই আসামি হলেন সাতক্ষীরার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিরাজ হোসেন খান ও ওই এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ সাধু।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৯টি কাবিখা প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন না করে বরাদ্দকৃত মোট ৬৫৫ বস্তা বা ৩৯ হাজার ৩০০ কেজি চাল আত্মসাৎ করেন। যে কারণে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯,৪২০,৪৬৮,৪৭১,৪৭৭ (ক). ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অধীন খাদ্যবান্ধব কার্যক্রমের বিভিন্ন অনয়িম-দুর্নীতির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও ইউপি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের মোট ১৬টি মামলা করেছে দুদক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০
১৫৮ বার পড়া হয়েছে

৬৫৫ বস্তা চাল আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৪

আপডেট সময় ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০

কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির ৬৫৫ বস্তা বা ৩৯ হাজার ৩০০ কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের ২ সদস্যসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। রোববার (২৮ জুন) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এদিকে মামলার ৪ আসামিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন- সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের তারালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, চাম্পাফুল ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল গণি, সাতক্ষীরার বাসিন্দা মো. লিয়াকত হোসেন সরদার, আব্দুল খালেক কারিগর।

এ ছাড়া বাকি দুই আসামি হলেন সাতক্ষীরার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিরাজ হোসেন খান ও ওই এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ সাধু।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৯টি কাবিখা প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন না করে বরাদ্দকৃত মোট ৬৫৫ বস্তা বা ৩৯ হাজার ৩০০ কেজি চাল আত্মসাৎ করেন। যে কারণে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯,৪২০,৪৬৮,৪৭১,৪৭৭ (ক). ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অধীন খাদ্যবান্ধব কার্যক্রমের বিভিন্ন অনয়িম-দুর্নীতির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও ইউপি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের মোট ১৬টি মামলা করেছে দুদক।