এর আগে গত ১৬ মে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের জন্য ১২ সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করে এনসিপি। এতে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে সমন্বয়কারী করা হয়। কমিটির সদস্য ছিলেন তাজনুভা জাবীন, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, ড. আতিক মুজাহিদ, অর্পিতা শ্যামা দেব, খালেদ সাইফুল্লাহ, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, মোশফিকুর রহমান জোহান, মীর আরশাদুল হক, মাওলানা সানাউল্লাহ খান, দিলশানা পারুল ও খান মুহাম্মদ মুরসালীন।
৫১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদে কারা থাকছেন তা এখনো ঘোষণা না হলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসেই প্রকাশ হতে যাওয়া এ উপদেষ্টা পরিষদে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত ১০ জন প্রবীণ নেতা থাকছেন। তালিকায় সাবেক আমলা, আইন পেশা, সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আধিক্য থাকবে। এছাড়া সাংবাদিক ও শ্রমিক নেতারা থাকবেন উপদেষ্টা পরিষদে।
এনসিপি মনে করছে, বর্তমানে দলটির তরুণ নেতৃত্বের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তাদের সামনে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা। এজন্য প্রতিটি পদক্ষেপে প্রবীণদের দিকনির্দেশনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে দলটি। তাই দ্রুত উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এনসিপি। দলটির অভ্যন্তরে বিশ্বাস, এই পরিষদ কার্যকর হলে তরুণ নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞ নাগরিকদের মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি হবে, যা নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে এনসিপিকে দেশের জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করবে। উপদেষ্টা পরিষদের কাজের পরিধি কেমন হবে- তা নিয়ে স্পষ্ট করে না জানালেও দলটির একাধিক নেতা জানান, উপদেষ্টা পরিষদ মূলত দলকে নীতিগত পরামর্শ দেবে। সংকটকালে দিকনির্দেশনা, সাংগঠনিক কাঠামো ও সংস্কার বিষয়ে মতামত, সততা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরামর্শ এবং কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করবে। তবে তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এনসিপি চাইছে যাতে পরিষদের সদস্যরা দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ, বিতর্কবিহীন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটকে ধারণ করেন।











