আইনজীবীর তথ্যমতে, ২০০৫ সালের ৯ এপ্রিল ঢাকার শাজাহানপুর ওভারব্রিজের নিচে কমলাপুর রেলস্টেশনের পাশ থেকে ব্যাগসহ শংকরকে আটক করেন স্থানীয় জনতা। তাঁর ব্যাগে পাওয়া যায় এক শিশুর কাটা মাথা। পরদিন শংকরকে নিয়ে ভাওয়ালের শালবনে গিয়ে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল শাজাহানপুর থানায় মামলা হয়। তবে শিশুটির নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ ছাড়া ২০০৯ সালের ১৩ এপ্রিল চাঁদপুর থেকে জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় ২০১৬ সালের ২১ মার্চ ঢাকার আদালত রায় দেন। রায়ে ওই দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে গত ৬ জানুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট।
রায়ে বলা হয়, অভিযোগপত্রে থাকা ৩৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন পুলিশ বিভাগের। ১ নম্বর সাক্ষী (বাদী) এক পুলিশ সদস্য ছাড়া তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করতে অন্যরা আদালতে আসেননি। আর এই সাক্ষীও আট বছর পর জেরার মুখোমুখি হন। এতে প্রতীয়মান হয় যে ৮–১০ বছর বয়সী নাম না জানা এক বালককে হত্যার ঘটনা প্রমাণে তাঁরা লুকোচুরি খেলা খেলেছেন। অভিযোগপত্রে থাকা পুলিশ সদস্যরা কেন ১ নম্বর সাক্ষীর বক্তব্য সমর্থনে সাক্ষ্য দিতে আসেননি—সে জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রায়ের কপি পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে রায়ে।