০৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আয়-রোজগারহীন গ্রাহকের ওপর করের বোঝা জুলুম

প্রতিনিধির নাম:

করোনাভাইরাস মহামারিতে কর্মহীন গ্রাহক সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে বসে কাজকর্ম করছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশ গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন, দ্রুত গতির ইন্টারনেট ও সাশ্রয়ী মূল্য প্রাপ্তিতে কাজ করে যাচ্ছেন, সে সময়ে বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ সেবায় সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আয়-রোজগারহীন গ্রাহকের ওপর ‘জুলুম’ বলে উল্লেখ করেছেন মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগেই এ খাতে গত ৫ বছরে ৫ বার কর বাড়িয়ে সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে ২৮.৫০ শতাংশ আদায় করা হতো। এবার আরও ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করার ফলে গ্রাহকের কাছ তেকে ১০০ টাকায় ৩৩.৭৫ টাকার সাথে অপারেটরদের ওপর আরোপিত কর আদায় করা হবে প্রায় ৩০ টাকা। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী দেশের একজন ভিক্ষুকও টেলিযোগাযোগ ব্যবহার করে।

তিনি বলেন, এ কারণে সরকারকে ভাবতে হবে, অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবার যারা বর্তমানে উপার্জনহীন তাদের কাছ থেকে উচ্চ কর আদায় করা কতটুকু সমীচীন হবে। এ সেবায় এমনিতেই নৈরাজ্য চলছে, তার ওপর অতিরিক্ত কর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে।

মহিউদ্দিন বলেন, সবার জন্য ব্যবহারযোগ্য খাতকে তামাক, মাদক ও উচ্চ বিলাসী পণ্যের কাতারে রাখা হয়েছে। এ কর অব্যাহত থাকলে সরকারের রাজস্ব না বাড়লেও একটি অপারেটর আরও অধিক নৈরাজ্য সৃষ্টি করে মুনাফা লুটবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটক আঁতুড়ঘরে পৌঁছাবে। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আরোপিত কর বাতিল করা হোক। অন্যথায়, গ্রাহকরা বিকল্প পথে হাঁটলে তার দায়ও সরকারকেই নিতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
২২১ বার পড়া হয়েছে

আয়-রোজগারহীন গ্রাহকের ওপর করের বোঝা জুলুম

আপডেট সময় ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

করোনাভাইরাস মহামারিতে কর্মহীন গ্রাহক সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে বসে কাজকর্ম করছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশ গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন, দ্রুত গতির ইন্টারনেট ও সাশ্রয়ী মূল্য প্রাপ্তিতে কাজ করে যাচ্ছেন, সে সময়ে বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ সেবায় সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আয়-রোজগারহীন গ্রাহকের ওপর ‘জুলুম’ বলে উল্লেখ করেছেন মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগেই এ খাতে গত ৫ বছরে ৫ বার কর বাড়িয়ে সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে ২৮.৫০ শতাংশ আদায় করা হতো। এবার আরও ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করার ফলে গ্রাহকের কাছ তেকে ১০০ টাকায় ৩৩.৭৫ টাকার সাথে অপারেটরদের ওপর আরোপিত কর আদায় করা হবে প্রায় ৩০ টাকা। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী দেশের একজন ভিক্ষুকও টেলিযোগাযোগ ব্যবহার করে।

তিনি বলেন, এ কারণে সরকারকে ভাবতে হবে, অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবার যারা বর্তমানে উপার্জনহীন তাদের কাছ থেকে উচ্চ কর আদায় করা কতটুকু সমীচীন হবে। এ সেবায় এমনিতেই নৈরাজ্য চলছে, তার ওপর অতিরিক্ত কর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে।

মহিউদ্দিন বলেন, সবার জন্য ব্যবহারযোগ্য খাতকে তামাক, মাদক ও উচ্চ বিলাসী পণ্যের কাতারে রাখা হয়েছে। এ কর অব্যাহত থাকলে সরকারের রাজস্ব না বাড়লেও একটি অপারেটর আরও অধিক নৈরাজ্য সৃষ্টি করে মুনাফা লুটবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটক আঁতুড়ঘরে পৌঁছাবে। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আরোপিত কর বাতিল করা হোক। অন্যথায়, গ্রাহকরা বিকল্প পথে হাঁটলে তার দায়ও সরকারকেই নিতে হবে।