০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্লট দুর্নীতি: সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের ১৮ বছরের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম:
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের এই তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া এক মামলায় শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ দুর্নীতি মামলায় শরীফ আহমেদ ছাড়াও আরও ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রণালয় ও রাজউকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে পূরবী গোলদার, মো. আনিছুর রহমান মিঞা, শফি উল হক, মো. খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহীদ উল্লা খন্দকার, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, মো. নুরুল ইসলাম, শেখ শাহিনুল ইসলাম, মো. কামরুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। মো. খুরশীদ আলম গ্রেফতার, বাকি সবাই পলাতক রয়েছেন।

গত ২৩ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। যুক্তিতর্কে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে পলাতক থাকায় শেখ হাসিনাসহ পরিবারের পক্ষে নেই কোনো আইনজীবী। এদিকে মামলা তিনটির একটিতে শেখ হাসিনাসহ আসামি ১২ জন, আরেকটিতে জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন, বাকি আরেকটি মামলাতে পুতুল ও শেখ হাসিনাসহ আসামি ১৮ জন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
৩১৫ বার পড়া হয়েছে

প্লট দুর্নীতি: সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের ১৮ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের এই তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া এক মামলায় শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ দুর্নীতি মামলায় শরীফ আহমেদ ছাড়াও আরও ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রণালয় ও রাজউকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে পূরবী গোলদার, মো. আনিছুর রহমান মিঞা, শফি উল হক, মো. খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহীদ উল্লা খন্দকার, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, মো. নুরুল ইসলাম, শেখ শাহিনুল ইসলাম, মো. কামরুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। মো. খুরশীদ আলম গ্রেফতার, বাকি সবাই পলাতক রয়েছেন।

গত ২৩ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। যুক্তিতর্কে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে পলাতক থাকায় শেখ হাসিনাসহ পরিবারের পক্ষে নেই কোনো আইনজীবী। এদিকে মামলা তিনটির একটিতে শেখ হাসিনাসহ আসামি ১২ জন, আরেকটিতে জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন, বাকি আরেকটি মামলাতে পুতুল ও শেখ হাসিনাসহ আসামি ১৮ জন।