০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এর টেন্ডার কেলেঙ্কারি ফাঁস!

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরা প্রতিনিধি

গত ১৯ নভেম্বর ২০২৫ মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ওষুধ,পথ্য ক্রয় সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞাপন জাতীয় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রচার/ প্রকাশ করা হয়। যার স্মারক নং ২৫০ বেড হাসপাতাল মাগুরা /২০২৫-২৬/২৭৬৫। যেখানে টেন্ডার পাবলিশ তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫,টেন্ডার বিক্রয়ের শেষ তারিখঃ ৭ ডিসেম্বর এবং টেন্ডার দরপত্র ড্রপিং ও খোলার তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ উল্লেখ করা হয়। কিন্তু বিধি মোতাবেক ইজিপিতে পাঠানো হয়নি নোটিশ বা টেন্ডার সিডিউল সংক্রান্ত ডকুমেন্টস। ফলে এই টেন্ডারের দরপত্র কিনতে পারেনি কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অথচ আগামী ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ টেন্ডার ড্রপিং এর তারিখ নির্ধারিত রয়েছে।
এই টেন্ডার এর বিষয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় পত্রিকার নোটিশের প্রিন্ট কপি প্রচার করা হলে তিনি কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করেন যে, “কারিগরি ত্রুটির জন্য তারিখ সংশোধন করা হবে,ত্রুটি সংশোধন করে আমরা সংশোধিত নোটিশ দিব।”
সরকারি বিধি হলো, কোন কারণ বশত টেন্ডারে ভুল হলে সেটি আগে বাতিল করে পত্রিকায় ঘোষণা দিতে হবে। নোটিশ বাতিল করতে হবে। পুন: আবার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে দরপত্র আহবান করতে হবে। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির সেটি না করে গোপনে টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন করে তার মনোনিত দুইজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন।
শোনা যায় এই দুইজন ঠিকাদারের একজনের বাড়ি বরিশাল ও একজনের বাড়ি কুষ্টিয়া। তাদের দুই জনের কাছ থেকে মোটা অংকের অগ্রিম কমিশন নিয়ে তিনি এই টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে যুক্ত হয়েছেন। ধর্তব্য বিষয় হলোঃ তিনি অদ্যাবধি এই গোপন টেন্ডারের নোটিশ বা কার্যক্রম অফিশিয়ালি বাতিল করেননি। এতেই প্রতিয়মান হয় যে, তিনি গোপনীয় ভাবে টেন্ডার কার্যক্রম সমপন্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। এখন বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন।
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের এই টেন্ডার কেলেঙ্কারির বিষয়টি তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব,মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন মাগুরাবাসী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
২২২ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এর টেন্ডার কেলেঙ্কারি ফাঁস!

আপডেট সময় ১০:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

মাগুরা প্রতিনিধি

গত ১৯ নভেম্বর ২০২৫ মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ওষুধ,পথ্য ক্রয় সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞাপন জাতীয় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রচার/ প্রকাশ করা হয়। যার স্মারক নং ২৫০ বেড হাসপাতাল মাগুরা /২০২৫-২৬/২৭৬৫। যেখানে টেন্ডার পাবলিশ তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫,টেন্ডার বিক্রয়ের শেষ তারিখঃ ৭ ডিসেম্বর এবং টেন্ডার দরপত্র ড্রপিং ও খোলার তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ উল্লেখ করা হয়। কিন্তু বিধি মোতাবেক ইজিপিতে পাঠানো হয়নি নোটিশ বা টেন্ডার সিডিউল সংক্রান্ত ডকুমেন্টস। ফলে এই টেন্ডারের দরপত্র কিনতে পারেনি কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অথচ আগামী ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ টেন্ডার ড্রপিং এর তারিখ নির্ধারিত রয়েছে।
এই টেন্ডার এর বিষয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় পত্রিকার নোটিশের প্রিন্ট কপি প্রচার করা হলে তিনি কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করেন যে, “কারিগরি ত্রুটির জন্য তারিখ সংশোধন করা হবে,ত্রুটি সংশোধন করে আমরা সংশোধিত নোটিশ দিব।”
সরকারি বিধি হলো, কোন কারণ বশত টেন্ডারে ভুল হলে সেটি আগে বাতিল করে পত্রিকায় ঘোষণা দিতে হবে। নোটিশ বাতিল করতে হবে। পুন: আবার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে দরপত্র আহবান করতে হবে। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির সেটি না করে গোপনে টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন করে তার মনোনিত দুইজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন।
শোনা যায় এই দুইজন ঠিকাদারের একজনের বাড়ি বরিশাল ও একজনের বাড়ি কুষ্টিয়া। তাদের দুই জনের কাছ থেকে মোটা অংকের অগ্রিম কমিশন নিয়ে তিনি এই টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে যুক্ত হয়েছেন। ধর্তব্য বিষয় হলোঃ তিনি অদ্যাবধি এই গোপন টেন্ডারের নোটিশ বা কার্যক্রম অফিশিয়ালি বাতিল করেননি। এতেই প্রতিয়মান হয় যে, তিনি গোপনীয় ভাবে টেন্ডার কার্যক্রম সমপন্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। এখন বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন।
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের এই টেন্ডার কেলেঙ্কারির বিষয়টি তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব,মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন মাগুরাবাসী।