যুবলীগ নেতা নিখিলের অবৈধ পরিবহণ ব্যবসা দেখভালে যুবদল নেতা
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ-সদস্য (এমপি) মাইনুল হোসেন খান নিখিলের অবৈধ পরিবহণ ব্যবসা কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদল সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন নিখিলের বোরাক পরিবহণ মহাসড়কে এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। রুট পারমিট না থাকলেও শাহাবুদ্দিনের শেল্টারে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ঢাকার গুলিস্তান পর্যন্ত বোরাক পরিবহণের ২২টি যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। বাসগুলোর চলাচল বন্ধে পরিবহণ মালিকদের পক্ষ থেকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপির কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, যুবদল নেতার কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযোগ অস্বীকার করে ভিপি শাহাবুদ্দিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। বোরাক পরিবহণ আগে যেভাবে চলছে এখনো সেভাবেই চলাচল করছে। বোরাকের কাগজপত্র না থাকলে বিষয়টি প্রশাসন দেখবে।
বোরাক পরিবহণের পরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেন, আমরা যথারীতি নিয়মে এবং সড়ক আইন মেনেই ব্যবসা করছি। কখনো নিখিলের প্রভাবে ব্যবসা করিনি। এখানে অনেকের যৌথ মালিকানার গাড়ি রয়েছে।
পরিবহণ ব্যবসায়ী কাউছার মোল্লা বলেন, যুবদল সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন বিগত ১৬ বছরে কোনো মামলা হামলার শিকার হননি। নিখিলের বোনের জামাই ফেরদৌসের শেল্টারে তিনি অক্ষত ছিলেন। তাই ৫ আগস্টের পর বোরাক পরিবহণকে শেল্টার দিয়ে তিনি দায় শোধ করছেন। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত করেছি। জৈনপুর পরিবহণের মালিক ঈমান আলী বলেন, ওই সার্ভিসের রুট পারমিট এবং বৈধ অনুমোদন নেই। বর্তমানে বোরাক সার্ভিস মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। শ্রমিক নেতা আব্দুছ ছালাম বলেন, বোরাক পরিবহণকে শেল্টার দিয়ে শাহাবুদ্দিন ভাই দলের আদর্শ পরিপন্থি কাজ করছেন।
ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, বোরাক পরিবহণের বিষয়ে আমরা অতিরিক্ত আইজিপিকে (হাইওয়ে) জানিয়েছি। এ বাস চলাচল করতে দেওয়া ঠিক না।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, বোরাক পরিবহণ নিয়ে আমাকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলে আমরা সহায়তা করব।











