০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেলের জায়গায় কর্ণফুলী স্টিল মিলের অবৈধ স্থাপনা

প্রতিনিধির নাম:
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় কুমিরা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেলের শত কোটি টাকার জমি দখল করে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কর্ণফুলী স্টিল মিলস্‌ এর বিরুদ্ধে। জানা গেছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ থেকে এক দশমিক ৩৩ একর সম্পত্তি কৃষি জমি হিসেবে লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে চাইলেও বাধার মুখে অভিযান স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তবে স্থাপনা ভাঙতে আবারো অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল করিম। এ ছাড়াও ইজারা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ওই জমিতে লেবার শেড নির্মাণ, পুকুর ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে পুরনো মাদ্রাসা অন্যত্র সরিয়ে নেয়া, শহীদ মিনার স্থানান্তর করা, কার্বন মিশ্রিত কালো ধোঁয়া ছড়ানো, কেমিক্যাল মিশ্রিত দূষিত পানি ছাড়াও জনবসতি স্থানে বিপজ্জনক গ্যাস ব্যবহারে পরিবেশ ধ্বংস করা, সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রেলের জমিতে নদী ভাঙা লোকজন ও প্রাক্তন কর্মচারীদের পরিবার-পরিজনদের বসতি থেকে জোরপূর্বক ভূমিহীন করা সহ নানা অভিযোগ উঠে এসেছে কর্ণফুলী স্টিল মিলস’র বিরুদ্ধে। সরজমিন গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পাশে বসবাসরত একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুমিরা এলাকার চিহ্নিত আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মো. মহসিন রেজার নেতৃত্বে একটি ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কুমিরা রেলওয়ে স্টেশনের আওতাধীন শত কোটি টাকার জমি দখলে নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি। তারা স্টেশন সংলগ্ন রেলের উল্লিখিত মূল্যবান জমিতে প্রকাশ্যে লোহা-টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে এবং বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করতে থাকে। জোরপূর্বক কলোনি থেকে সাধারণ মানুষদের উচ্ছেদ করে দখলে নেয়। সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে অনেক কলোনিবাসী অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে বারবার বিষয়টি অবহিত করলেও কতিপয় দুর্নীতি পরায়ন রেলের কর্মকর্তার অসহযোগিতায় কারণে কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, মূলত ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান টিকে গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী স্টিল মিলসের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মরিয়া কতিপয় দুর্নীতি পরায়ন রেল কর্মকর্তা ও একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ।
রেলওয়ের মালিকানাধীন বিশাল এ সম্পত্তি নিজেদের দখলে নেয়ার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যবহার করছে তারা। তাদের এসব কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ বাধা দিতে গেলেই ভূমিদস্যুরা অস্ত্র হাতে তেড়ে এসে তাদের মেরে ফেলার হুমকিসহ নানা ভয়ভীতি দেখান বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয় লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষি লিজের জমিতে স্থায়ী স্থাপনা হিসেবে সেখানে সীমানা দেয়াল নির্মাণ করেছে টিকে গ্রুপ। বর্ধিত করা হয়েছে কারখানা, বানানো হয়েছে ট্রাক চলাচলের রাস্তা। খনন করা হয়েছে পুকুর। টিনের বেড়া দিয়ে ভেতরে নির্মাণ করেছে পানির পাম্প। তথ্যসূত্র জানা গেছে, ২০০৫ সালে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশন এলাকায় রেললাইনের পশ্চিম পাশে (কিমি ২৩/২ হইতে ২৩/৪) এর মধ্যে দুই প্লটে ১ দশমিক ৩৩ একর জমি কর্ণফুলী স্টিল মিল লিমিটেডের বিপরীতে কৃষি লিজ ইস্যু করেন তৎকালীন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মোবারক উল্ল্যাহ। প্লট দু’টির একটি ৪৮ হাজার ৪২০ বর্গফুট, অপরটি ৯ হাজার ৬০০ বর্গফুট। রেল সূত্র জানায়, কৃষি লিজের চুক্তিপত্রের ৪ নম্বর শর্ত অনুযায়ী উক্ত জমিতে যে ফসলাদি জন্মে তার চাষাবাদ ছাড়া অন্য কোনো কাজ, বসবাসের জন্য কোনো ঘর দরজা তৈরি, দোকানপাট নির্মাণ, শিল্প কারখানা নির্মাণ করা, বৃক্ষাদি রোপণ বা বাগান তৈরি করা, পুকুর, নালা বা খাল খনন, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, শ্মশান, কবরস্থান কিংবা অন্য কোনো কাজের জন্য ওই ভূমি ব্যবহার করা যাবে না। যদি এই শর্তের লঙ্ঘন হয় তাহলে রেল প্রশাসন লিজ বাতিল করে এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ আদায়ের অধিকার রাখেন। এদিকে ইজারা চুক্তি ভঙ্গ করে লিজ নেয়া কৃষি জমিতে লেবার শেড নির্মাণ করায় কর্ণফুলী স্টিল মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালামের কাছে ২০২০ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর ব্যাখ্যা তলব এবং কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন রেল পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় তৎকালীন ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা কংকন চাকমা।
তখনকার সময় মিলের ব্যবস্থাপক মো. সাইফুদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা হিসেবে জানান, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে রেলের জায়গায় অস্থায়ী লেবার শেড নির্মাণ করা হয়েছে। স্থায়ী স্থাপনা নয়। তাছাড়া জমিগুলোর দীর্ঘমেয়াদি লিজ বা সাফ কবলায় পাওয়ার জন্য রেল পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আবেদন গ্রহণ না করলে স্থাপনা তুলে ফেলা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (ডিইও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, কুমিরা রেল স্টেশনের পাশে রেলওয়ে কলোনির জমিটি কর্ণফুলী স্টিলসহ কতিপয় ভূমিদস্যুরা দখল নেয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এলে আমরা পুলিশ ও আরএনবি’র সহায়তায় গত বছরের ২৫শে নভেম্বর সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে যাই। তারা আমাদের ওপর হামলা করে।  এস্কেভেটরের চালককে আহত করেছে। বিষয়টি সিনিয়র কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেটা প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
২৩১ বার পড়া হয়েছে

রেলের জায়গায় কর্ণফুলী স্টিল মিলের অবৈধ স্থাপনা

আপডেট সময় ০৫:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় কুমিরা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেলের শত কোটি টাকার জমি দখল করে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কর্ণফুলী স্টিল মিলস্‌ এর বিরুদ্ধে। জানা গেছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ থেকে এক দশমিক ৩৩ একর সম্পত্তি কৃষি জমি হিসেবে লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে চাইলেও বাধার মুখে অভিযান স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তবে স্থাপনা ভাঙতে আবারো অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল করিম। এ ছাড়াও ইজারা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ওই জমিতে লেবার শেড নির্মাণ, পুকুর ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে পুরনো মাদ্রাসা অন্যত্র সরিয়ে নেয়া, শহীদ মিনার স্থানান্তর করা, কার্বন মিশ্রিত কালো ধোঁয়া ছড়ানো, কেমিক্যাল মিশ্রিত দূষিত পানি ছাড়াও জনবসতি স্থানে বিপজ্জনক গ্যাস ব্যবহারে পরিবেশ ধ্বংস করা, সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রেলের জমিতে নদী ভাঙা লোকজন ও প্রাক্তন কর্মচারীদের পরিবার-পরিজনদের বসতি থেকে জোরপূর্বক ভূমিহীন করা সহ নানা অভিযোগ উঠে এসেছে কর্ণফুলী স্টিল মিলস’র বিরুদ্ধে। সরজমিন গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পাশে বসবাসরত একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুমিরা এলাকার চিহ্নিত আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মো. মহসিন রেজার নেতৃত্বে একটি ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কুমিরা রেলওয়ে স্টেশনের আওতাধীন শত কোটি টাকার জমি দখলে নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি। তারা স্টেশন সংলগ্ন রেলের উল্লিখিত মূল্যবান জমিতে প্রকাশ্যে লোহা-টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে এবং বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করতে থাকে। জোরপূর্বক কলোনি থেকে সাধারণ মানুষদের উচ্ছেদ করে দখলে নেয়। সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে অনেক কলোনিবাসী অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে বারবার বিষয়টি অবহিত করলেও কতিপয় দুর্নীতি পরায়ন রেলের কর্মকর্তার অসহযোগিতায় কারণে কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, মূলত ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান টিকে গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী স্টিল মিলসের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মরিয়া কতিপয় দুর্নীতি পরায়ন রেল কর্মকর্তা ও একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ।
রেলওয়ের মালিকানাধীন বিশাল এ সম্পত্তি নিজেদের দখলে নেয়ার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যবহার করছে তারা। তাদের এসব কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ বাধা দিতে গেলেই ভূমিদস্যুরা অস্ত্র হাতে তেড়ে এসে তাদের মেরে ফেলার হুমকিসহ নানা ভয়ভীতি দেখান বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয় লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষি লিজের জমিতে স্থায়ী স্থাপনা হিসেবে সেখানে সীমানা দেয়াল নির্মাণ করেছে টিকে গ্রুপ। বর্ধিত করা হয়েছে কারখানা, বানানো হয়েছে ট্রাক চলাচলের রাস্তা। খনন করা হয়েছে পুকুর। টিনের বেড়া দিয়ে ভেতরে নির্মাণ করেছে পানির পাম্প। তথ্যসূত্র জানা গেছে, ২০০৫ সালে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশন এলাকায় রেললাইনের পশ্চিম পাশে (কিমি ২৩/২ হইতে ২৩/৪) এর মধ্যে দুই প্লটে ১ দশমিক ৩৩ একর জমি কর্ণফুলী স্টিল মিল লিমিটেডের বিপরীতে কৃষি লিজ ইস্যু করেন তৎকালীন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মোবারক উল্ল্যাহ। প্লট দু’টির একটি ৪৮ হাজার ৪২০ বর্গফুট, অপরটি ৯ হাজার ৬০০ বর্গফুট। রেল সূত্র জানায়, কৃষি লিজের চুক্তিপত্রের ৪ নম্বর শর্ত অনুযায়ী উক্ত জমিতে যে ফসলাদি জন্মে তার চাষাবাদ ছাড়া অন্য কোনো কাজ, বসবাসের জন্য কোনো ঘর দরজা তৈরি, দোকানপাট নির্মাণ, শিল্প কারখানা নির্মাণ করা, বৃক্ষাদি রোপণ বা বাগান তৈরি করা, পুকুর, নালা বা খাল খনন, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, শ্মশান, কবরস্থান কিংবা অন্য কোনো কাজের জন্য ওই ভূমি ব্যবহার করা যাবে না। যদি এই শর্তের লঙ্ঘন হয় তাহলে রেল প্রশাসন লিজ বাতিল করে এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ আদায়ের অধিকার রাখেন। এদিকে ইজারা চুক্তি ভঙ্গ করে লিজ নেয়া কৃষি জমিতে লেবার শেড নির্মাণ করায় কর্ণফুলী স্টিল মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালামের কাছে ২০২০ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর ব্যাখ্যা তলব এবং কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন রেল পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় তৎকালীন ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা কংকন চাকমা।
তখনকার সময় মিলের ব্যবস্থাপক মো. সাইফুদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা হিসেবে জানান, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে রেলের জায়গায় অস্থায়ী লেবার শেড নির্মাণ করা হয়েছে। স্থায়ী স্থাপনা নয়। তাছাড়া জমিগুলোর দীর্ঘমেয়াদি লিজ বা সাফ কবলায় পাওয়ার জন্য রেল পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আবেদন গ্রহণ না করলে স্থাপনা তুলে ফেলা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (ডিইও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, কুমিরা রেল স্টেশনের পাশে রেলওয়ে কলোনির জমিটি কর্ণফুলী স্টিলসহ কতিপয় ভূমিদস্যুরা দখল নেয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এলে আমরা পুলিশ ও আরএনবি’র সহায়তায় গত বছরের ২৫শে নভেম্বর সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে যাই। তারা আমাদের ওপর হামলা করে।  এস্কেভেটরের চালককে আহত করেছে। বিষয়টি সিনিয়র কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেটা প্রক্রিয়াধীন।