০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরা ফায়ার সার্ভিস অফিসে ভুয়া ঠিকানায় চাকরি করছেন এক কর্মকর্তা ও দুই কর্মচারী!

প্রতিনিধির নাম:
মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে ভুয়া ঠিকানায় চাকুরী করছেন এক কর্মকর্তা ও দুই কর্মচারি। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ তদন্তের দাবী তুলেছেন এলাকাবাসী।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,মাগুরা স্থায়ী ঠিকানা ভুয়া ঠিকানায় চাকুরী নিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন।সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে পাওয়া যায়,মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী
পরিচালক,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,মাগুরা এর পূর্বপুরুষ আলোকদিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও তার পিতা মোঃ দবির মাষ্টার আউনাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ আলোকদিয়া এলাকা থেকে চলে যেয়ে মোহাম্মদপুর উপজেলার আউনাড়া গ্রামে বাড়ি করেন। তবে মোঃ আলী সাজ্জাদ ঝিনেদা জেলার ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে নিয়োগ পান। ফায়ার সার্ভিসের চাকরি পাওয়ার পর,ঝিনেদার ভুয়া ঠিকানা এড়াতে মোহাম্মদ আলী সাজ্জাদ ঝিনেদাতে জমি কিনেছেন নিজের নামে এবং করেছেন বাড়িও। ঝিনেদাহ সার্ভার স্টেশনে গিয়েও তার ঠিকানার কোন সত্যতা মেলেনি। তবে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার আউনাড়া গ্রামে গিয়ে মোঃ আলী সাজ্জাদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজে পাওয়া যায়। মোঃ আলী সাজ্জাদের ছোট্ট ভাই মাগুরা এক আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের খাস চামচা ছিলেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৪ সকালে মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের অফিস সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিনির্বাপক কাজে ব্যবহারিত গাড়ি রয়েছে পাঁচটি। এর মধ্যে পানিবাহী গাড়ি একটি,পামটানা গাড়ি একটি,অ্যাম্বুলেন্স একটি, এবং ফায়ার এন্ড রেসকিউ (ফোটন গাড়ি) একটি। মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী পরিচালক অপারেশন বা অ্যাক্সিডেন্টের কাজে ব্যবহৃত ‘ফায়ার এন্ডরেসকিউ'(ফোটন গাড়ি) ব্যক্তিগত কাজে বেশি ব্যবহার করেন।
এ ছাড়া দপ্তরি সকল কাজে ঘুস ছাড়া স্বাক্ষর করেন না।ফায়ার এক্সটিংগুইশার বিক্রি করে সেই অর্থ আত্মসাত করেছেন। অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কর্মচারীদের সাথে খারাপ-আচরণ করেন। অগ্নিকাণ্ড,দুর্ঘটনা ও দুর্যোগ কাজে ব্যবহারিত সরকারি রেসকিউ গাড়ি,ও অফিসের কর্মচারীদেরকে নিজ গ্রামের বাড়ি ‘আউনাড়া’য় ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। উপ-সহকারী মোঃ আলী সাজ্জাদের যোগসাজশে দোকানিদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) বিক্রির অভিযোগ রয়েছে ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসানের বিরুদ্ধে।
তাছাড়াও মাগুরা ফায়ার সার্ভিসে পরিচয় গোপন করে চাকরি করছেন ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসান পিআইএন-(৭০৯৬/৫০১৭৯৯)। তিনি চাকরি গ্রহনের সময় স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়েছেন,পিতা মোঃ সিদ্দিক মোল্লা,গ্রাম বাদারপুর,উপজেলা,লালমোহন,জেলা ভোলা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনিও পরিচয় গোপন করে ভুয়া ঠিকানায় চাকরি নিয়েছেন। ০১/০২/২০০৯ সাল তিনি চাকুরী পান। ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসানের স্থায়ী ঠিকানা,গ্রাম মধুখালি,ডাকঘর পুলুম,উপজেলা,শালিখা, জেলা মাগুরা।তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পড়ালেখা দেখিয়েছেন এসএসসি। খাটর রামারন্দকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সরেজমিন অনুসন্ধানে যার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। ১৯ অক্টোবর দুপুরে তাকে একাধিকবার মুঠো ফোনে কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের আমদানি,সরবরাহ ও রিফিলকারি প্রতিষ্ঠান নিউটেক্স ফায়ার ফাইটিং ইকুইপমেন্টের মূল্য তালিকাঅনুযায়ী,
২.৫কেজি,৩কেজি,৪কেজি,৫ কেজি ও ৬ কেজির এবিসি সিলিন্ডারের মূল্য যথাক্রমে ৩৫০,৫৫০,৭০০,৮৫০ ও ১০৫০ টাকা। নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে প্রতিটি নির্বাপক যন্ত্রের রিফিল ব্যয় ওজনভেদে ১২৫-১৫০ টাকা। অথচ এই কর্মচারী দোকানিদের থেকে ৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে ৪ গুণ পর্যন্ত বেশী দামে কিনতে বাধ্য করেছেন। একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষকে ভয় দেখিয়ে ফায়ার এক্সটিংগুইশার ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়েছে।
সরকারি রাজস্ব আদায় বন্ধ রেখে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য কর্মচারী ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসানকে দিয়ে বিপুল পরিমাণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার বিক্রি করিয়াছেন মাগুরা জেলায়। নিউ বেতার,জ্যোতি টেলিভিশন,বিকাশ ডিমঘর,শহরের পুরাতন চাল বাজার ব্যবসায়ী ইয়াসিন,মুদি দোকানদার কামাল,জুতা পট্টি এবং ঢাকা রোডের সার বিক্রেতা টিপু সুলতান বলেন,মোবাইল কোর্টের ভয় দেখিয়ে বাজারের বিভিন্ন দোকানে দুই হাজার পাঁচশ টাকা দামে এক-একটি সিলিন্ডার বিক্রি করেছেন তিনি।
এ ছাড়াও স্থায়ী ঠিকানা গোপন করে মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে চাকরি নেন লিডার আলেফ মোল্লা।চাকরীতে তার স্থায়ী ঠিকানা দেখানো হয়েছেঃ শৈলকূপা উপজেলা, ঝিনেদাহ জেলা। অথচঃ সরজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলেফ মোল্লার স্থায়ী ঠিকানা, গ্রাম-দারিয়াপুর, ডাকঘরঃ মালাইনগর,উপজেলা,শ্রীপুর,জেলা মাগুরা।
এ বিষয় বক্তব্য নেওয়ার জন্য মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী পরিচালক,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,মাগুরার কার্যালয়ে গেলে,তিনি গণমাধ্যমকে জানান,ফায়ার সার্ভিসে নিজ জেলায় চাকরি করা যায়।সাংবাদিকরা যতই লেখুক কোন কাজ হবে না। লিখে আপনারা যা করতে পারেন করেন ।
বিষয়টি বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরকে অবগত করা হলে, তারা তদন্তের প্রতিশ্রুতি দেন গণমাধ্যমকে। তবে এ বিষয় ১৭ অক্টোবর দুপুরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল,এনডিসি,এএফডব্লিউসি,পিএসসি,জানান, মাগুরার বিষয়টি অবগত হয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪
৫৫৩ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা ফায়ার সার্ভিস অফিসে ভুয়া ঠিকানায় চাকরি করছেন এক কর্মকর্তা ও দুই কর্মচারী!

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪
মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে ভুয়া ঠিকানায় চাকুরী করছেন এক কর্মকর্তা ও দুই কর্মচারি। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ তদন্তের দাবী তুলেছেন এলাকাবাসী।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,মাগুরা স্থায়ী ঠিকানা ভুয়া ঠিকানায় চাকুরী নিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন।সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে পাওয়া যায়,মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী
পরিচালক,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,মাগুরা এর পূর্বপুরুষ আলোকদিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও তার পিতা মোঃ দবির মাষ্টার আউনাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ আলোকদিয়া এলাকা থেকে চলে যেয়ে মোহাম্মদপুর উপজেলার আউনাড়া গ্রামে বাড়ি করেন। তবে মোঃ আলী সাজ্জাদ ঝিনেদা জেলার ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে নিয়োগ পান। ফায়ার সার্ভিসের চাকরি পাওয়ার পর,ঝিনেদার ভুয়া ঠিকানা এড়াতে মোহাম্মদ আলী সাজ্জাদ ঝিনেদাতে জমি কিনেছেন নিজের নামে এবং করেছেন বাড়িও। ঝিনেদাহ সার্ভার স্টেশনে গিয়েও তার ঠিকানার কোন সত্যতা মেলেনি। তবে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার আউনাড়া গ্রামে গিয়ে মোঃ আলী সাজ্জাদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজে পাওয়া যায়। মোঃ আলী সাজ্জাদের ছোট্ট ভাই মাগুরা এক আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের খাস চামচা ছিলেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৪ সকালে মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের অফিস সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিনির্বাপক কাজে ব্যবহারিত গাড়ি রয়েছে পাঁচটি। এর মধ্যে পানিবাহী গাড়ি একটি,পামটানা গাড়ি একটি,অ্যাম্বুলেন্স একটি, এবং ফায়ার এন্ড রেসকিউ (ফোটন গাড়ি) একটি। মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী পরিচালক অপারেশন বা অ্যাক্সিডেন্টের কাজে ব্যবহৃত ‘ফায়ার এন্ডরেসকিউ'(ফোটন গাড়ি) ব্যক্তিগত কাজে বেশি ব্যবহার করেন।
এ ছাড়া দপ্তরি সকল কাজে ঘুস ছাড়া স্বাক্ষর করেন না।ফায়ার এক্সটিংগুইশার বিক্রি করে সেই অর্থ আত্মসাত করেছেন। অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কর্মচারীদের সাথে খারাপ-আচরণ করেন। অগ্নিকাণ্ড,দুর্ঘটনা ও দুর্যোগ কাজে ব্যবহারিত সরকারি রেসকিউ গাড়ি,ও অফিসের কর্মচারীদেরকে নিজ গ্রামের বাড়ি ‘আউনাড়া’য় ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। উপ-সহকারী মোঃ আলী সাজ্জাদের যোগসাজশে দোকানিদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) বিক্রির অভিযোগ রয়েছে ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসানের বিরুদ্ধে।
তাছাড়াও মাগুরা ফায়ার সার্ভিসে পরিচয় গোপন করে চাকরি করছেন ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসান পিআইএন-(৭০৯৬/৫০১৭৯৯)। তিনি চাকরি গ্রহনের সময় স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়েছেন,পিতা মোঃ সিদ্দিক মোল্লা,গ্রাম বাদারপুর,উপজেলা,লালমোহন,জেলা ভোলা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনিও পরিচয় গোপন করে ভুয়া ঠিকানায় চাকরি নিয়েছেন। ০১/০২/২০০৯ সাল তিনি চাকুরী পান। ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসানের স্থায়ী ঠিকানা,গ্রাম মধুখালি,ডাকঘর পুলুম,উপজেলা,শালিখা, জেলা মাগুরা।তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পড়ালেখা দেখিয়েছেন এসএসসি। খাটর রামারন্দকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সরেজমিন অনুসন্ধানে যার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। ১৯ অক্টোবর দুপুরে তাকে একাধিকবার মুঠো ফোনে কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের আমদানি,সরবরাহ ও রিফিলকারি প্রতিষ্ঠান নিউটেক্স ফায়ার ফাইটিং ইকুইপমেন্টের মূল্য তালিকাঅনুযায়ী,
২.৫কেজি,৩কেজি,৪কেজি,৫ কেজি ও ৬ কেজির এবিসি সিলিন্ডারের মূল্য যথাক্রমে ৩৫০,৫৫০,৭০০,৮৫০ ও ১০৫০ টাকা। নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে প্রতিটি নির্বাপক যন্ত্রের রিফিল ব্যয় ওজনভেদে ১২৫-১৫০ টাকা। অথচ এই কর্মচারী দোকানিদের থেকে ৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে ৪ গুণ পর্যন্ত বেশী দামে কিনতে বাধ্য করেছেন। একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষকে ভয় দেখিয়ে ফায়ার এক্সটিংগুইশার ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়েছে।
সরকারি রাজস্ব আদায় বন্ধ রেখে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য কর্মচারী ফায়ার ফাইটার মোঃ আলী হাসানকে দিয়ে বিপুল পরিমাণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার বিক্রি করিয়াছেন মাগুরা জেলায়। নিউ বেতার,জ্যোতি টেলিভিশন,বিকাশ ডিমঘর,শহরের পুরাতন চাল বাজার ব্যবসায়ী ইয়াসিন,মুদি দোকানদার কামাল,জুতা পট্টি এবং ঢাকা রোডের সার বিক্রেতা টিপু সুলতান বলেন,মোবাইল কোর্টের ভয় দেখিয়ে বাজারের বিভিন্ন দোকানে দুই হাজার পাঁচশ টাকা দামে এক-একটি সিলিন্ডার বিক্রি করেছেন তিনি।
এ ছাড়াও স্থায়ী ঠিকানা গোপন করে মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে চাকরি নেন লিডার আলেফ মোল্লা।চাকরীতে তার স্থায়ী ঠিকানা দেখানো হয়েছেঃ শৈলকূপা উপজেলা, ঝিনেদাহ জেলা। অথচঃ সরজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলেফ মোল্লার স্থায়ী ঠিকানা, গ্রাম-দারিয়াপুর, ডাকঘরঃ মালাইনগর,উপজেলা,শ্রীপুর,জেলা মাগুরা।
এ বিষয় বক্তব্য নেওয়ার জন্য মোঃ আলী সাজ্জাদ উপ-সহকারী পরিচালক,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স,মাগুরার কার্যালয়ে গেলে,তিনি গণমাধ্যমকে জানান,ফায়ার সার্ভিসে নিজ জেলায় চাকরি করা যায়।সাংবাদিকরা যতই লেখুক কোন কাজ হবে না। লিখে আপনারা যা করতে পারেন করেন ।
বিষয়টি বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরকে অবগত করা হলে, তারা তদন্তের প্রতিশ্রুতি দেন গণমাধ্যমকে। তবে এ বিষয় ১৭ অক্টোবর দুপুরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল,এনডিসি,এএফডব্লিউসি,পিএসসি,জানান, মাগুরার বিষয়টি অবগত হয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।