০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাফার গুদামে সিসিটিভি স্থাপন দরপত্র মূল্যায়নে গড়িমসি কেন?

প্রতিনিধির নাম:

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপন মাধ্যমে চুরি ও দুর্নীতিকে অনেকাংশে প্রশোমিত করে। এ ব্যবস্থা চোরদের আতঙ্ক নামে পরিচিত। নজরদারি ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং সহজ হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিক কপোরেশন (বিসিআইসি) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত ২২টি বাফারগুদামে নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপন সংক্রান্ত দরপত্র আহ্বান করেছে। যা গত ১৭ এপ্রিল উন্মুক্ত করা হয়েছে।

জানা যায়, ৯টি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নিয়েছে। দরপত্র মূল্যায়নের সময় পেরিয়ে গেলেও আইসিটি বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন মূল্যায়ন কমিটির সভা না করে কালক্ষেপন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আহ্বানকৃত দরপত্রের ভ্যালিডিটি পিরিয়ড শেষ হলে যেন ছলে বলে দরপত্রটি বাতিল করা যায় সেই পন্থা অবলম্বন করছে একটি অসাধু চক্র।

বিসিআইসির বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, চুরি ও দুর্নীতি কমে যাবে বলে বিসিআইসি’র ক্রয় বিভাগ বিপণন বিভাগের সাথে সিন্ডিকেট করে আইসিটি বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপন করতে চাচ্ছে না। অপরদিকে পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ না পাওয়ায় দরপত্র বাতিল করার প্রক্রিয়াও চলমান রেখেছে।

দরপত্রে অংশ নেওয়া একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করছে যে, মূল্যায়নে কালক্ষেপন করে তাদের কাছে মূল্যায়ন কমিটির পক্ষে উৎকোচ চাওয়া হচ্ছে।

সার চুরি রোধ করতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সংস্থাটির পরিচালক (বাণিজ্যিক) এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন বলে জানায় বিপণন বিভাগ। উদ্যোগটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আইসিটি বিভাগের। বিপণন বিভাগ না চাইলে অধিযাচন দিত না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে জানা যায়, এখানে দোষারোপ খেলা শুরু হয়েছে। মূল্যায়নের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিলে বিষয়টির সমাধান হবে।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপনের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানা যায়। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের ২২টি বাফারগুদামে নজরদারি আওতায় আসবে এবং এক স্থান থেকে তা মনিটরিং করা যাবে। একই সাথে এটি বাস্তবায়ন হলে বাফারগুদাম সমূহ থেকে সার চুরি অনেকাংশে কমে আসবে।

এ ক্ষেত্রে বিসিআইসির চেয়ারম্যানের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
২৯০ বার পড়া হয়েছে

বাফার গুদামে সিসিটিভি স্থাপন দরপত্র মূল্যায়নে গড়িমসি কেন?

আপডেট সময় ১২:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপন মাধ্যমে চুরি ও দুর্নীতিকে অনেকাংশে প্রশোমিত করে। এ ব্যবস্থা চোরদের আতঙ্ক নামে পরিচিত। নজরদারি ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং সহজ হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিক কপোরেশন (বিসিআইসি) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত ২২টি বাফারগুদামে নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপন সংক্রান্ত দরপত্র আহ্বান করেছে। যা গত ১৭ এপ্রিল উন্মুক্ত করা হয়েছে।

জানা যায়, ৯টি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নিয়েছে। দরপত্র মূল্যায়নের সময় পেরিয়ে গেলেও আইসিটি বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন মূল্যায়ন কমিটির সভা না করে কালক্ষেপন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আহ্বানকৃত দরপত্রের ভ্যালিডিটি পিরিয়ড শেষ হলে যেন ছলে বলে দরপত্রটি বাতিল করা যায় সেই পন্থা অবলম্বন করছে একটি অসাধু চক্র।

বিসিআইসির বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, চুরি ও দুর্নীতি কমে যাবে বলে বিসিআইসি’র ক্রয় বিভাগ বিপণন বিভাগের সাথে সিন্ডিকেট করে আইসিটি বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপন করতে চাচ্ছে না। অপরদিকে পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ না পাওয়ায় দরপত্র বাতিল করার প্রক্রিয়াও চলমান রেখেছে।

দরপত্রে অংশ নেওয়া একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করছে যে, মূল্যায়নে কালক্ষেপন করে তাদের কাছে মূল্যায়ন কমিটির পক্ষে উৎকোচ চাওয়া হচ্ছে।

সার চুরি রোধ করতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সংস্থাটির পরিচালক (বাণিজ্যিক) এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন বলে জানায় বিপণন বিভাগ। উদ্যোগটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আইসিটি বিভাগের। বিপণন বিভাগ না চাইলে অধিযাচন দিত না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে জানা যায়, এখানে দোষারোপ খেলা শুরু হয়েছে। মূল্যায়নের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিলে বিষয়টির সমাধান হবে।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা নজরদারি ব্যবস্থাপনার আওতায় সিসিটিভি স্থাপনের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানা যায়। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের ২২টি বাফারগুদামে নজরদারি আওতায় আসবে এবং এক স্থান থেকে তা মনিটরিং করা যাবে। একই সাথে এটি বাস্তবায়ন হলে বাফারগুদাম সমূহ থেকে সার চুরি অনেকাংশে কমে আসবে।

এ ক্ষেত্রে বিসিআইসির চেয়ারম্যানের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।