০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চেয়ারম্যানের ভুমিকা রহস্যজনক: বিসিকে এখতিয়ার বহির্ভুতভাবে সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন পরিবর্তন করেও বহাল তবিয়তে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি আব্দুল হালিম!

প্রতিনিধির নাম:

 

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। সরকারী বিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পত্তির হেফাজতকারী হচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থাৎ বিসিক চেয়ারম্যান তথা বিসিক কর্তৃপক্ষ। বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ সংক্ষেপে বিসিক সার্ভিস রুলস একটি সরকারী দলিল। যা মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত। উক্ত সার্ভিস রুলের ধারা উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজন, অবলুপ্তকরণ সম্পূর্ণরূপে সরকারের এখতিয়ার। কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত সার্ভিস রুলের ধারা উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজন, অবলুপ্তকরণ এর ক্ষমতা সংরক্ষণ করে না। বে-আইনীভাবে যে বা যারা এ কাজের সাথে যুক্ত হবেন বা হয়েছেন তিনি তাৎক্ষনিকভাবে অসদাচরণ এবং শৃংখলা ভঙ্গ, ক্ষমতার অপ-ব্যবহার এর দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় শাস্তি প্রাপ্তির বিধান আছে। বিধান আছে সকল সরকারী কর্মচারী সরকারের আদেশ নির্দেশ যথাযথভাবে মেনে চলে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে। বিসিকের উপকরণ শাখার একজন ভারপ্রাপ্ত লিফটম্যান মোঃ আব্দুল হালিম ১৩মার্চ, ২০২৪ তারিখে একটি উকিল নোটিশের জবাবে বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ এর ১(২) ধারার বিদ্যমান বিধানের পরিবর্তে ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করে সম্পূর্ণ বে- আইনীভাবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ এর ১(২) ধারার বিধান অনুযায়ী বিসিকের রাজস্বখাতভুক্ত/স্থায়ী সকল কর্মকর্তা /কর্মচারী চাকুরিরত অবস্থায় বিসিক তথা বিসিকের সাথে সম্পৃক্ত সকল ইউনিয়, সমিতি বা প্রশাসন বিভাগ হতে গঠিত যে কোন কমিটির সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ এর ১(২) ধারায় এ ধরনের কোন বিধান নেই। মোঃ আব্দুল হালিম ভারপ্রাপ্ত লিফটম্যান কর্তৃক বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালার উল্লিখিত বিদ্যমান বিধান পরিবর্তন করে তার খেয়াল খুশীমত করেছেন-যা উপস্থাপন শৃংখলা ভংগ এবং মারাত্মক অপরাধমূলক কাজ। এ ধরনের অপরাধে তিনি নিশ্চিতভাবে সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধিমালা (বিশেষ বিধান) ১৯৭৯ এর বিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। বিসিকের একজন সাধারণ কর্মচারী হিসেবে পিআরএল গমনের পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত বিসিকে কর্মরত সকল কর্মচারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যে কোন কার্যক্রম পরিচালনার এখতিয়ার বিসিক কর্তৃপক্ষ আমাকে প্রদান করেছেন। তথাপি, বিসিক কর্তৃপক্ষ আমাকে বিসিকের কর্মচারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে চাইলে অফিস আদেশ জারীর মাধ্যমে তা করতে পারেন-মর্মে ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করে পত্র চালাচালি একটি মারাত্মক অপরাধ হওয়া স্বত্তেও এবং সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ এর ৩০এ ধারার (এ), (বি), (সি) এবং (ডি) উপধারায় বর্নিত বিধান লংঘনজনিত কারণে একই বিধিমালার ৩২ ধারার বিধানমতে বিসিক কর্তৃপক্ষ মোঃ আব্দুল হালিমকে কোন প্রকার শাস্তির আওতায় না এনে প্রমাণ করেছেন যে হালিমের অপকর্মের ক্ষেত্রে বিসিক কর্তৃপক্ষের সমর্থন রয়েছে। তার বে-আইনী কাজে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের কাজটি করছেন বিসিক কর্তৃপক্ষ। বিসিক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবগত নয় বলে দায় এড়ানোর কোন সুযোগ নেই। কেননা হালিমের দেয়া জবাবের কপি তিনি যথারীতি বিসিক চেয়ারম্যান এবং বিসিকের সকল পরিচালককে প্রদান করেছেন মর্মে তার পত্রে উল্লেখ রয়েছে। তাছাড়াও এ বিষয়ে একাধিক জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ক্লিপ বিসিক চেয়ারম্যান এবং বিসিকের পরিচালক (প্রশাসন) বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে। তথাপিও বিসিক চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ২৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখের সমন্ব্য় সভায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিরুপ মনোভাব পোষণ করে সংবাদ প্রকাশের সাথে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অভিমত পোষণ করেছেন-যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক বিষয়। অপরাধের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের রিুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বে-আইনী কাজের সংবাদ প্রকাশের সাথে যুক্তদেরকে হয়রানী করার এবং অপরাধী চক্রের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়টি সত্যিকার অর্থে ন্যাক্কারজনক, যা অপরাধী চক্রকে শক্তি ও সাহস যোগাবে এবং তাদের অপরাধের মাত্র বহুগুণে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধামালা ১৯৭৯ এ বিধিনিষেধ থাকার পরও সরকারী দলিলের ধারা উপধারা ভিন্নভাবে উপস্থাপন এবং এখতিয়ার বহির্ভুত বে-আইনী কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকার দায়ে মোঃ আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে বিসিক কর্তৃপক্ষের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষপাতমূলক আচরণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করার ঘৃনিত অপচেষ্টার একটি অংশ বলে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করে। শিল্প মন্ত্রণালয় এবং সরকারের অন্যান্য দপ্তর/মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদান করবে-এমনটাই প্রত্যাশা দেশের জনগণের।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪
২৩৬ বার পড়া হয়েছে

চেয়ারম্যানের ভুমিকা রহস্যজনক: বিসিকে এখতিয়ার বহির্ভুতভাবে সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন পরিবর্তন করেও বহাল তবিয়তে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি আব্দুল হালিম!

আপডেট সময় ০৭:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪

 

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। সরকারী বিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পত্তির হেফাজতকারী হচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থাৎ বিসিক চেয়ারম্যান তথা বিসিক কর্তৃপক্ষ। বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ সংক্ষেপে বিসিক সার্ভিস রুলস একটি সরকারী দলিল। যা মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত। উক্ত সার্ভিস রুলের ধারা উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজন, অবলুপ্তকরণ সম্পূর্ণরূপে সরকারের এখতিয়ার। কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত সার্ভিস রুলের ধারা উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজন, অবলুপ্তকরণ এর ক্ষমতা সংরক্ষণ করে না। বে-আইনীভাবে যে বা যারা এ কাজের সাথে যুক্ত হবেন বা হয়েছেন তিনি তাৎক্ষনিকভাবে অসদাচরণ এবং শৃংখলা ভঙ্গ, ক্ষমতার অপ-ব্যবহার এর দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় শাস্তি প্রাপ্তির বিধান আছে। বিধান আছে সকল সরকারী কর্মচারী সরকারের আদেশ নির্দেশ যথাযথভাবে মেনে চলে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে। বিসিকের উপকরণ শাখার একজন ভারপ্রাপ্ত লিফটম্যান মোঃ আব্দুল হালিম ১৩মার্চ, ২০২৪ তারিখে একটি উকিল নোটিশের জবাবে বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ এর ১(২) ধারার বিদ্যমান বিধানের পরিবর্তে ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করে সম্পূর্ণ বে- আইনীভাবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ এর ১(২) ধারার বিধান অনুযায়ী বিসিকের রাজস্বখাতভুক্ত/স্থায়ী সকল কর্মকর্তা /কর্মচারী চাকুরিরত অবস্থায় বিসিক তথা বিসিকের সাথে সম্পৃক্ত সকল ইউনিয়, সমিতি বা প্রশাসন বিভাগ হতে গঠিত যে কোন কমিটির সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা ১৯৮৯ এর ১(২) ধারায় এ ধরনের কোন বিধান নেই। মোঃ আব্দুল হালিম ভারপ্রাপ্ত লিফটম্যান কর্তৃক বিসিক কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালার উল্লিখিত বিদ্যমান বিধান পরিবর্তন করে তার খেয়াল খুশীমত করেছেন-যা উপস্থাপন শৃংখলা ভংগ এবং মারাত্মক অপরাধমূলক কাজ। এ ধরনের অপরাধে তিনি নিশ্চিতভাবে সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধিমালা (বিশেষ বিধান) ১৯৭৯ এর বিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। বিসিকের একজন সাধারণ কর্মচারী হিসেবে পিআরএল গমনের পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত বিসিকে কর্মরত সকল কর্মচারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যে কোন কার্যক্রম পরিচালনার এখতিয়ার বিসিক কর্তৃপক্ষ আমাকে প্রদান করেছেন। তথাপি, বিসিক কর্তৃপক্ষ আমাকে বিসিকের কর্মচারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে চাইলে অফিস আদেশ জারীর মাধ্যমে তা করতে পারেন-মর্মে ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করে পত্র চালাচালি একটি মারাত্মক অপরাধ হওয়া স্বত্তেও এবং সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ এর ৩০এ ধারার (এ), (বি), (সি) এবং (ডি) উপধারায় বর্নিত বিধান লংঘনজনিত কারণে একই বিধিমালার ৩২ ধারার বিধানমতে বিসিক কর্তৃপক্ষ মোঃ আব্দুল হালিমকে কোন প্রকার শাস্তির আওতায় না এনে প্রমাণ করেছেন যে হালিমের অপকর্মের ক্ষেত্রে বিসিক কর্তৃপক্ষের সমর্থন রয়েছে। তার বে-আইনী কাজে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের কাজটি করছেন বিসিক কর্তৃপক্ষ। বিসিক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবগত নয় বলে দায় এড়ানোর কোন সুযোগ নেই। কেননা হালিমের দেয়া জবাবের কপি তিনি যথারীতি বিসিক চেয়ারম্যান এবং বিসিকের সকল পরিচালককে প্রদান করেছেন মর্মে তার পত্রে উল্লেখ রয়েছে। তাছাড়াও এ বিষয়ে একাধিক জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ক্লিপ বিসিক চেয়ারম্যান এবং বিসিকের পরিচালক (প্রশাসন) বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে। তথাপিও বিসিক চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ২৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখের সমন্ব্য় সভায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিরুপ মনোভাব পোষণ করে সংবাদ প্রকাশের সাথে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অভিমত পোষণ করেছেন-যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক বিষয়। অপরাধের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের রিুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বে-আইনী কাজের সংবাদ প্রকাশের সাথে যুক্তদেরকে হয়রানী করার এবং অপরাধী চক্রের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়টি সত্যিকার অর্থে ন্যাক্কারজনক, যা অপরাধী চক্রকে শক্তি ও সাহস যোগাবে এবং তাদের অপরাধের মাত্র বহুগুণে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধামালা ১৯৭৯ এ বিধিনিষেধ থাকার পরও সরকারী দলিলের ধারা উপধারা ভিন্নভাবে উপস্থাপন এবং এখতিয়ার বহির্ভুত বে-আইনী কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকার দায়ে মোঃ আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে বিসিক কর্তৃপক্ষের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষপাতমূলক আচরণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করার ঘৃনিত অপচেষ্টার একটি অংশ বলে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করে। শিল্প মন্ত্রণালয় এবং সরকারের অন্যান্য দপ্তর/মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদান করবে-এমনটাই প্রত্যাশা দেশের জনগণের।