০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্রুত গ্রেফতার দাবী: বাড্ডায় জোরপূর্বক বাড়ীর জায়গা দখলের চেষ্টা, না পেরে এক পুলিশ পরিবারের ওপর পরিবেশবাদী নেতার কালোথাবা!

প্রতিনিধির নাম:

স্টাফ রিপোর্টার


রাজধানীর বাড্ডা আদর্শ নগরে মোটা অংকের চাঁদা দাবী এবং জায়গা দখলের চেষ্টা। সেটি না পেয়ে একটি পুলিশ পরিবারের ওপর নানামুখী অত্যাচার চালাচ্ছেন একজন পরিবেশবাদী নেতা।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেও এই পরিবারটিকে হয়রানী ও মানুষিক অত্যাচার করা হচ্ছে।

অতীতে তিনি একটি পরিবেশবাদী বেসরকারী সংগঠনের সেক্রেটারী ছিলেন। সেই কারনে এলাকায় সীমাহীন দাপট প্রদর্শন করে ধরাকে সরা জ্ঞান করেন।

এই এলাকায় কেউ নতুন বাড়ী নির্মাণ করতে গেলেই তিনি পরিবেশ বিষয়ক আইন কানুনের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অংকের চাঁদা দাবী ও আদায় করে থাকেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপআ) এর সাবেক জেনারেল সেক্রেটারী শরীফ জামিলের বিরুদ্ধে উঠেছে এই অভিযোগ।

এ ঘটনায় রাজধানীর বাড্ডা থানায় তার বিরুদ্ধে দুইটী জিডি এন্ট্রি করেছেন সদ্য নির্মিত একটি বাড়ীর মালিক আবুল কাশেম মিল্কী।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, রাজধানীর মধ্য বাড্ডা আদর্শ নগর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আবু তাহের মিল্কী তার ক্রয়কৃত সি এস ৬৩২ নং প্লটের ৪.৫৬ শতাংশ জমির ওপর ৬ তলা বাড়ী করার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে নকশা পাশসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গীক কাজ সম্পন্ন করে বাড়ী নির্মাণ শুরু করেন।
এ সময় প্রতিবেশী শরীফ জামিল বাড়ী নির্মানে বাঁধা প্রদান করে বলেন, বাড়ী নির্মাণ করতে হলে তার শ্বশুর বাড়ীতে প্রবেশের রাস্তার জন্য ৩ ফুট জমি ছেড়ে দিতে হবে। শুধু তাইই নয়,বাড়ীর সীমানা প্রাচীরও ভেঙে ফেলতে হবে। অন্যথায় তাকে ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে।
তার কথামত চাঁদা বা জায়গা না দিলে এবং বাড়ী নির্মাণ কাজ বন্ধ করা না হলে প্রথমে তিনি এলাকার সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভয়ভীতি দেখান।
তাতেও কাজ না হলে তিনি রাজউকের ৪ নং জোনের অথোরাইজড কর্মকর্তার নিকট নিজেকে বিরাট পরিবেশবাদী নেতা ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপআ) এর জেনারেল সেক্রেটারী পরিচয়ে প্রভাব সৃষ্টি করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করার আবেদন করেন।

এখানেই শেষ নয়, তিনি ইউসিবি ব্যাংকে ফোন করে ওই ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই বাড়ী নির্মাণে লোন না দেবার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

এ বিষয়ে জমির মালিক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আবু তাহের মিল্কীর পুত্র আবুল কাশেম মিল্কী গত ২৮/০৯/২০২২ ইং তারিখে বাড্ডা থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেছেন যার নং ২১২৭।
এই ডায়রী করার পর থেকে উক্ত শরীফ জামিল পরিবারটিকে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন।

তিনি প্রশাসনের উচ্চ মহলে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
তার এধরণের কর্মকান্ড গুরুতর ফৌজদারী অপরাধ হলেও সেটি তিনি ধর্তব্যে নিচ্ছেন না।

পরিবেশবাদী নেতা শরীফ জামিলের এহেন গর্হিত কর্মকান্ডে আবু তাহের মিল্কীর পরিবার সব সময় আতংকের মধ্যে দিন রাত কাটাচ্ছেন।
এতে করে অপুরুনীয় ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিবারটি।

শরীফ জামিলের এধরনের বেআইনী কর্মকান্ডে এলাকাবাসীও বিস্মিত হয়েছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন শরীফ জামিলের ক্ষমতার উৎস কোথায়?

উল্লেখ্য যে, খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, তিনি ওই এলাকায় স্থায়ী বাসিন্দা নন তিনি ঘর জামাই থাকেন।
তার গ্রামের বাড়ী সিলেট জেলায়।
তিনি বাড্ডা আদর্শ নগরের যে বাড়ীতে থাকেন সেটি তার শ্বশুর আব্দুল মান্নানের নামে।

সেই ৪ তলা বাড়ীর রাজউকের কোন অনুমোদন বা নকশা পাশ নেই। অথচ: এই বাড়ীর প্রবেশ পথের জন্য তিনি জোরপূর্বক ৩ ফুট জমি দাবী করছেন এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলতে বলছেন।

  1. এ বিষয়ে ৬৩২ নং প্লটের মালিক আবু তাহের মিল্কীর পুত্র আবুল কাশেম মিল্কীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, দেশে কি কোন আইন কানুন নেই? আমরা ৪০ বছর আগে টাকা দিয়ে জমি কিনেছি এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সমস্ত নিয়ম কানুন পালন করে নকশা পাশ করে বাড়ী নির্মাণ করছি। অথচ: বেসরকারী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাবেক নেতা শরীফ জামিল বাঁধা প্রদান করছেন কোন আইনে? তাকে ৫০ লাখ চাঁদা দিতে হবে কেন?
    পরিবেশের কোন আইন ভংগ করেছি?
    আমরা যাতে বাঁধামুক্ত বাড়ী নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারি সেজন্য ঢাকার পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল ও রাজউক চেয়ারম্যান এর পদক্ষেপ কামনা করছি। এবং
    মুখোশধারী এই পরিবেশ নেতার গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছি।উল্লেখ্য ,বাডডা ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার শেখ সেলিম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে , শরীফ জামীলকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে।কিন্তু তিনি বেপরোয়া।তিনি ভুক্তভোগীদের আইনী আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:২১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪
২১৯ বার পড়া হয়েছে

দ্রুত গ্রেফতার দাবী: বাড্ডায় জোরপূর্বক বাড়ীর জায়গা দখলের চেষ্টা, না পেরে এক পুলিশ পরিবারের ওপর পরিবেশবাদী নেতার কালোথাবা!

আপডেট সময় ০৭:২১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার


রাজধানীর বাড্ডা আদর্শ নগরে মোটা অংকের চাঁদা দাবী এবং জায়গা দখলের চেষ্টা। সেটি না পেয়ে একটি পুলিশ পরিবারের ওপর নানামুখী অত্যাচার চালাচ্ছেন একজন পরিবেশবাদী নেতা।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেও এই পরিবারটিকে হয়রানী ও মানুষিক অত্যাচার করা হচ্ছে।

অতীতে তিনি একটি পরিবেশবাদী বেসরকারী সংগঠনের সেক্রেটারী ছিলেন। সেই কারনে এলাকায় সীমাহীন দাপট প্রদর্শন করে ধরাকে সরা জ্ঞান করেন।

এই এলাকায় কেউ নতুন বাড়ী নির্মাণ করতে গেলেই তিনি পরিবেশ বিষয়ক আইন কানুনের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অংকের চাঁদা দাবী ও আদায় করে থাকেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপআ) এর সাবেক জেনারেল সেক্রেটারী শরীফ জামিলের বিরুদ্ধে উঠেছে এই অভিযোগ।

এ ঘটনায় রাজধানীর বাড্ডা থানায় তার বিরুদ্ধে দুইটী জিডি এন্ট্রি করেছেন সদ্য নির্মিত একটি বাড়ীর মালিক আবুল কাশেম মিল্কী।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, রাজধানীর মধ্য বাড্ডা আদর্শ নগর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আবু তাহের মিল্কী তার ক্রয়কৃত সি এস ৬৩২ নং প্লটের ৪.৫৬ শতাংশ জমির ওপর ৬ তলা বাড়ী করার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে নকশা পাশসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গীক কাজ সম্পন্ন করে বাড়ী নির্মাণ শুরু করেন।
এ সময় প্রতিবেশী শরীফ জামিল বাড়ী নির্মানে বাঁধা প্রদান করে বলেন, বাড়ী নির্মাণ করতে হলে তার শ্বশুর বাড়ীতে প্রবেশের রাস্তার জন্য ৩ ফুট জমি ছেড়ে দিতে হবে। শুধু তাইই নয়,বাড়ীর সীমানা প্রাচীরও ভেঙে ফেলতে হবে। অন্যথায় তাকে ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে।
তার কথামত চাঁদা বা জায়গা না দিলে এবং বাড়ী নির্মাণ কাজ বন্ধ করা না হলে প্রথমে তিনি এলাকার সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভয়ভীতি দেখান।
তাতেও কাজ না হলে তিনি রাজউকের ৪ নং জোনের অথোরাইজড কর্মকর্তার নিকট নিজেকে বিরাট পরিবেশবাদী নেতা ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপআ) এর জেনারেল সেক্রেটারী পরিচয়ে প্রভাব সৃষ্টি করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করার আবেদন করেন।

এখানেই শেষ নয়, তিনি ইউসিবি ব্যাংকে ফোন করে ওই ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই বাড়ী নির্মাণে লোন না দেবার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

এ বিষয়ে জমির মালিক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আবু তাহের মিল্কীর পুত্র আবুল কাশেম মিল্কী গত ২৮/০৯/২০২২ ইং তারিখে বাড্ডা থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেছেন যার নং ২১২৭।
এই ডায়রী করার পর থেকে উক্ত শরীফ জামিল পরিবারটিকে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন।

তিনি প্রশাসনের উচ্চ মহলে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
তার এধরণের কর্মকান্ড গুরুতর ফৌজদারী অপরাধ হলেও সেটি তিনি ধর্তব্যে নিচ্ছেন না।

পরিবেশবাদী নেতা শরীফ জামিলের এহেন গর্হিত কর্মকান্ডে আবু তাহের মিল্কীর পরিবার সব সময় আতংকের মধ্যে দিন রাত কাটাচ্ছেন।
এতে করে অপুরুনীয় ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিবারটি।

শরীফ জামিলের এধরনের বেআইনী কর্মকান্ডে এলাকাবাসীও বিস্মিত হয়েছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন শরীফ জামিলের ক্ষমতার উৎস কোথায়?

উল্লেখ্য যে, খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, তিনি ওই এলাকায় স্থায়ী বাসিন্দা নন তিনি ঘর জামাই থাকেন।
তার গ্রামের বাড়ী সিলেট জেলায়।
তিনি বাড্ডা আদর্শ নগরের যে বাড়ীতে থাকেন সেটি তার শ্বশুর আব্দুল মান্নানের নামে।

সেই ৪ তলা বাড়ীর রাজউকের কোন অনুমোদন বা নকশা পাশ নেই। অথচ: এই বাড়ীর প্রবেশ পথের জন্য তিনি জোরপূর্বক ৩ ফুট জমি দাবী করছেন এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলতে বলছেন।

  1. এ বিষয়ে ৬৩২ নং প্লটের মালিক আবু তাহের মিল্কীর পুত্র আবুল কাশেম মিল্কীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, দেশে কি কোন আইন কানুন নেই? আমরা ৪০ বছর আগে টাকা দিয়ে জমি কিনেছি এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সমস্ত নিয়ম কানুন পালন করে নকশা পাশ করে বাড়ী নির্মাণ করছি। অথচ: বেসরকারী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাবেক নেতা শরীফ জামিল বাঁধা প্রদান করছেন কোন আইনে? তাকে ৫০ লাখ চাঁদা দিতে হবে কেন?
    পরিবেশের কোন আইন ভংগ করেছি?
    আমরা যাতে বাঁধামুক্ত বাড়ী নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারি সেজন্য ঢাকার পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল ও রাজউক চেয়ারম্যান এর পদক্ষেপ কামনা করছি। এবং
    মুখোশধারী এই পরিবেশ নেতার গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছি।উল্লেখ্য ,বাডডা ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার শেখ সেলিম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে , শরীফ জামীলকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে।কিন্তু তিনি বেপরোয়া।তিনি ভুক্তভোগীদের আইনী আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন।