০২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মু: কবির হোসেন অনিয়ম-দুর্নীতি থামাবে কে?

প্রতিনিধির নাম:

 

বিশেষ প্রতিবেদক

বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মুহ: কবির হোসেন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিআইডব্লিউটিএ এর যান্ত্রিক শাখায় যোগদানের পর থেকে অনিয়ম-দুর্নীতিকে পেশা হিসাবে নিয়েছেন যা বিআইডব্লিউটিএ ভবনে ওপেন সিক্রেট। যদিও সরকারি চাকরির নীতিমালার সাথে তার এই সকল অনিয়ম-দুর্নীতির কর্মকান্ড সাংঘর্ষিক। তার নজিরবিহীন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিশাল ফিরিস্তি। প্রতিটি ঠিকাদারি কাজে তার চাহিদা মতো ঘুষ ১০% থেকে ১৫% না দিলে সেই সব ঠিকাদার কাজ পান না। এ যেন অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করার মতো ঘটনা। এখানে উল্লেখ থাকে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিটি ঠিকাদারি কাছে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য ইজিপি পদ্ধতি চালু করেছেন কিন্তু বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, “চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী” ঠিক তেমনি ইজিপি পদ্ধতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজের গোপন (রেটকোট) তথ্য তিনি যেই সকল ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ নিয়ে থাকেন তাদের হাতে তুলে দেন ।
এই ইজিপি কাজের বিষয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করা শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা যতই সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে দরপত্র আহ্বানের সকল শর্ত পূরণ করে এমএমই শাখায় টেন্ডার সাবমিট করি না কেন আমরা কাজ পাই না। কারণ আমরা প্রকৌশলী মুহঃ কবির হোসেন স্যার এর চাহিদা মত ১০% থেকে ১৫% ঘুষ দিতে পারিনা। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে উক্ত ভবনের কয়েকজন ঠিকাদার আক্ষেপ করে বলেন, ১০% থেকে ১৫% টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে আবার যখন কাজ সম্পন্ন করে বিল সাবমিট করি তখন আবারও তাহার চাহিদা মত ঘুষ না দিলে আমাদের কাজের বিল পাস হয় না। আমরা এই সকল অনিয়ম দুর্নীতি থেকে মুক্তি পেতে চাই। এই সকল অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয় কথা বলার জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মুহ: কবির হোসেন এর মুঠোফোন বেশ কয়েকবার ফোন দিয়ে ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
৩৮৯ বার পড়া হয়েছে

বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মু: কবির হোসেন অনিয়ম-দুর্নীতি থামাবে কে?

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

বিশেষ প্রতিবেদক

বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মুহ: কবির হোসেন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিআইডব্লিউটিএ এর যান্ত্রিক শাখায় যোগদানের পর থেকে অনিয়ম-দুর্নীতিকে পেশা হিসাবে নিয়েছেন যা বিআইডব্লিউটিএ ভবনে ওপেন সিক্রেট। যদিও সরকারি চাকরির নীতিমালার সাথে তার এই সকল অনিয়ম-দুর্নীতির কর্মকান্ড সাংঘর্ষিক। তার নজিরবিহীন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে তার অনিয়ম-দুর্নীতির বিশাল ফিরিস্তি। প্রতিটি ঠিকাদারি কাজে তার চাহিদা মতো ঘুষ ১০% থেকে ১৫% না দিলে সেই সব ঠিকাদার কাজ পান না। এ যেন অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করার মতো ঘটনা। এখানে উল্লেখ থাকে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিটি ঠিকাদারি কাছে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য ইজিপি পদ্ধতি চালু করেছেন কিন্তু বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, “চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী” ঠিক তেমনি ইজিপি পদ্ধতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজের গোপন (রেটকোট) তথ্য তিনি যেই সকল ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ নিয়ে থাকেন তাদের হাতে তুলে দেন ।
এই ইজিপি কাজের বিষয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করা শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা যতই সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে দরপত্র আহ্বানের সকল শর্ত পূরণ করে এমএমই শাখায় টেন্ডার সাবমিট করি না কেন আমরা কাজ পাই না। কারণ আমরা প্রকৌশলী মুহঃ কবির হোসেন স্যার এর চাহিদা মত ১০% থেকে ১৫% ঘুষ দিতে পারিনা। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে উক্ত ভবনের কয়েকজন ঠিকাদার আক্ষেপ করে বলেন, ১০% থেকে ১৫% টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে আবার যখন কাজ সম্পন্ন করে বিল সাবমিট করি তখন আবারও তাহার চাহিদা মত ঘুষ না দিলে আমাদের কাজের বিল পাস হয় না। আমরা এই সকল অনিয়ম দুর্নীতি থেকে মুক্তি পেতে চাই। এই সকল অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয় কথা বলার জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মুহ: কবির হোসেন এর মুঠোফোন বেশ কয়েকবার ফোন দিয়ে ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।