সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পটি গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর একনেকে পাশ হয়। এই প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরিসহ শুরু থেকেই ফোকাল পয়েন্ট অফিসার ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আইসিটি বিভাগের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন। গত বছরের ৭ এপ্রিল অধিদপ্তরের এক আদেশে এই কর্মকর্তাকে ডেজিগনেটেড প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য আইসিটি কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন, ডা. মো. আমিনুল হক ও এ কে এম বাহারুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। গত ৫ অক্টোবর এ প্রস্তাবের ওপর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদের সভাপতিত্বে নিয়োগ কমিটির বৈঠক হয়। নিয়োগ পরীক্ষায় শামীম হোসেন প্রথম হন। ফলে ঐ বৈঠকে শামীম হোসেনকে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। ঐ নিয়োগ কমিটির সভাপতি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব। এছাড়া আইএমইডি বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট অনু বিভাগ ও শাখা প্রধানরা কমিটিতে ছিলেন।
সূত্র জানিয়েছে, তিন মাসেও সুপারিশকৃত শামীম হোসেনকে নিয়োগ না দিয়ে এখন আবার নতুন করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য উপকূলীয় চরাঞ্চলের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক জিয়াউল হক রাহাতসহ তিন জনের নাম মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে অধিদপ্তর। অথচ সাবেক এই প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। উল্লেখ্য, এর আগে যে তিন জনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল সেখানে জিয়াউল হকের নাম ছিল না। এছাড়া আগের তালিকার এ কে এম বাহারুল ইসলামের নামও বাদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বলেছেন, বিষয়টি আমার যোগদানের আগের। আমি কিছু দিন আগে যোগদান করেছি। তবে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।











