০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আফসার আলী

প্রতিনিধির নাম:

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা-২(সদর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আফসার আলী। এলাকায় আগাম জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। মূলত নৌকার প্রাথী মো: আসাদুজ্জামান বাবু, (স্বতন্ত্র প্রাথী) বর্তমান দলীয় এমপি,জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, (স্বতন্ত্র প্রার্থী) বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলী ও জাতীয় পাটির প্রার্থী মো: আশরাফুজ্জামান এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক ভোট হবে। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পরিচিত এবং জেলায় ভোট ব্যাংক না থাকায় তিনি খুব একটা আলোচনায় নেই।
আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতাদের সাথে এবং সাধারন ভোটারদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, বর্তমান এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রাথী হিসাবে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সকল সিনিয়র সদস্য একজন জুনিয়রকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুদ্ধ ও বিরুপ মনোভাব পোষন করেছেন। অপর আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারমান মো: নজরুল ইসলামও ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি দলের একজন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কনিষ্ট নেতা। তাকে মনোনয়ন না দিয়ে বর্তমান এমপি অথবা দলের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলামকে দলীয় মনোনয়ন দিলে দলে শান্তি শৃংখলা বজায় থাকত এবং সকলে একযোগে কাজ করা যেত। যেহেতু দলের সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন সেকারণ ব্যক্তির পক্ষে নয় নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তবে ভোট দেয়ার ব্যাপারে দলের অনেকেই অনীহা দেখাবে বা উৎসবমুখুর ভাবে ভোটে অংশ নেবে না। এ ছাড়া দলীয় ভোটও ভাগাভাগি হয়ে যাবে। আর যদি দলীয় হস্তক্ষেপে বর্তমান এমপি প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন তবে সিনিয়র গ্রুপ দলীয় প্রাথীরে ভোটদানে বিরত থাকবে । সে ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী এলাকার পরিচিত মূখ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলীর জয়লাভের সম্বাবনা অনেক বেশী।
এলাকাবাসীর মতে মো: আফসার আলী দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় সমাজসেবামুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও এলাকার শতাধিক ব্যক্তির চাকুরী ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ ছাড়া এলাকায় স্কুল , কলেজ, মাদরাসা, এতিমখানা , ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্র, ও মসজিদ স্থাপন করে জনগনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একজন সদালাপী ও সজ্জন পরপোকারী মানুষ হিসাবে হিসাবে তিনি পরিচিত। এলাকাবাসী আরো জানায়, মো: আফসার আলী বর্তমানে সাতক্ষীরার ইউনাইটেড মডেল কলেজ ও পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ও মরহুম আ: বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা এবং রোকেয়া খাতুন ডাযাবেটিক সেন্টারের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ।এ ছাড়াও তিনি সরকারী কর্মকতা ও কর্মচারী সমবায় সমিতি, ঢাকা, গভ: এমপ্লয়ীজ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান,ফ্যালকন হোমস লি: ঢাকা ও লিংকটেক আইটি, ঢাকার চেয়ারম্যান সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। তাই সাধারন ভোটার ও বিভিন্ন দলের সমর্থনকারী ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রাথী হিসাবে স্বতন্ত্র প্রাথী মো: আফসার আলীর দিকে ঝুকে পড়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে তার বিজয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে
জনপ্রিয়তার শীর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী
মো: আফসার আলী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা-২(সদর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আফসার আলী। এলাকায় আগাম জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। মূলত নৌকার প্রাথী মো: আসাদুজ্জামান বাবু, (স্বতন্ত্র প্রাথী) বর্তমান দলীয় এমপি,জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, (স্বতন্ত্র প্রার্থী) বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলী ও জাতীয় পাটির প্রার্থী মো: আশরাফুজ্জামান এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক ভোট হবে। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পরিচিত এবং জেলায় ভোট ব্যাংক না থাকায় তিনি খুব একটা আলোচনায় নেই।
আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতাদের সাথে এবং সাধারন ভোটারদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, বর্তমান এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রাথী হিসাবে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সকল সিনিয়র সদস্য একজন জুনিয়রকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুদ্ধ ও বিরুপ মনোভাব পোষন করেছেন। অপর আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারমান মো: নজরুল ইসলামও ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি দলের একজন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কনিষ্ট নেতা। তাকে মনোনয়ন না দিয়ে বর্তমান এমপি অথবা দলের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলামকে দলীয় মনোনয়ন দিলে দলে শান্তি শৃংখলা বজায় থাকত এবং সকলে একযোগে কাজ করা যেত। যেহেতু দলের সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন সেকারণ ব্যক্তির পক্ষে নয় নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তবে ভোট দেয়ার ব্যাপারে দলের অনেকেই অনীহা দেখাবে বা উৎসবমুখুর ভাবে ভোটে অংশ নেবে না। এ ছাড়া দলীয় ভোটও ভাগাভাগি হয়ে যাবে। আর যদি দলীয় হস্তক্ষেপে বর্তমান এমপি প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন তবে সিনিয়র গ্রুপ দলীয় প্রাথীরে ভোটদানে বিরত থাকবে । সে ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী এলাকার পরিচিত মূখ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলীর জয়লাভের সম্বাবনা অনেক বেশী।
এলাকাবাসীর মতে মো: আফসার আলী দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় সমাজসেবামুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও এলাকার শতাধিক ব্যক্তির চাকুরী ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ ছাড়া এলাকায় স্কুল , কলেজ, মাদরাসা, এতিমখানা , ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্র, ও মসজিদ স্থাপন করে জনগনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একজন সদালাপী ও সজ্জন পরপোকারী মানুষ হিসাবে হিসাবে তিনি পরিচিত। এলাকাবাসী আরো জানায়, মো: আফসার আলী বর্তমানে সাতক্ষীরার ইউনাইটেড মডেল কলেজ ও পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ও মরহুম আ: বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা এবং রোকেয়া খাতুন ডাযাবেটিক সেন্টারের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ।এ ছাড়াও তিনি সরকারী কর্মকতা ও কর্মচারী সমবায় সমিতি, ঢাকা, গভ: এমপ্লয়ীজ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান,ফ্যালকন হোমস লি: ঢাকা ও লিংকটেক আইটি, ঢাকার চেয়ারম্যান সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। তাই সাধারন ভোটার ও বিভিন্ন দলের সমর্থনকারী ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রাথী হিসাবে স্বতন্ত্র প্রাথী মো: আফসার আলীর দিকে ঝুকে পড়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে তার বিজয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
৩৮২ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আফসার আলী

আপডেট সময় ১১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা-২(সদর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আফসার আলী। এলাকায় আগাম জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। মূলত নৌকার প্রাথী মো: আসাদুজ্জামান বাবু, (স্বতন্ত্র প্রাথী) বর্তমান দলীয় এমপি,জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, (স্বতন্ত্র প্রার্থী) বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলী ও জাতীয় পাটির প্রার্থী মো: আশরাফুজ্জামান এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক ভোট হবে। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পরিচিত এবং জেলায় ভোট ব্যাংক না থাকায় তিনি খুব একটা আলোচনায় নেই।
আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতাদের সাথে এবং সাধারন ভোটারদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, বর্তমান এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রাথী হিসাবে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সকল সিনিয়র সদস্য একজন জুনিয়রকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুদ্ধ ও বিরুপ মনোভাব পোষন করেছেন। অপর আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারমান মো: নজরুল ইসলামও ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি দলের একজন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কনিষ্ট নেতা। তাকে মনোনয়ন না দিয়ে বর্তমান এমপি অথবা দলের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলামকে দলীয় মনোনয়ন দিলে দলে শান্তি শৃংখলা বজায় থাকত এবং সকলে একযোগে কাজ করা যেত। যেহেতু দলের সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন সেকারণ ব্যক্তির পক্ষে নয় নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তবে ভোট দেয়ার ব্যাপারে দলের অনেকেই অনীহা দেখাবে বা উৎসবমুখুর ভাবে ভোটে অংশ নেবে না। এ ছাড়া দলীয় ভোটও ভাগাভাগি হয়ে যাবে। আর যদি দলীয় হস্তক্ষেপে বর্তমান এমপি প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন তবে সিনিয়র গ্রুপ দলীয় প্রাথীরে ভোটদানে বিরত থাকবে । সে ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী এলাকার পরিচিত মূখ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলীর জয়লাভের সম্বাবনা অনেক বেশী।
এলাকাবাসীর মতে মো: আফসার আলী দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় সমাজসেবামুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও এলাকার শতাধিক ব্যক্তির চাকুরী ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ ছাড়া এলাকায় স্কুল , কলেজ, মাদরাসা, এতিমখানা , ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্র, ও মসজিদ স্থাপন করে জনগনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একজন সদালাপী ও সজ্জন পরপোকারী মানুষ হিসাবে হিসাবে তিনি পরিচিত। এলাকাবাসী আরো জানায়, মো: আফসার আলী বর্তমানে সাতক্ষীরার ইউনাইটেড মডেল কলেজ ও পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ও মরহুম আ: বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা এবং রোকেয়া খাতুন ডাযাবেটিক সেন্টারের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ।এ ছাড়াও তিনি সরকারী কর্মকতা ও কর্মচারী সমবায় সমিতি, ঢাকা, গভ: এমপ্লয়ীজ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান,ফ্যালকন হোমস লি: ঢাকা ও লিংকটেক আইটি, ঢাকার চেয়ারম্যান সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। তাই সাধারন ভোটার ও বিভিন্ন দলের সমর্থনকারী ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রাথী হিসাবে স্বতন্ত্র প্রাথী মো: আফসার আলীর দিকে ঝুকে পড়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে তার বিজয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে
জনপ্রিয়তার শীর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী
মো: আফসার আলী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা-২(সদর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আফসার আলী। এলাকায় আগাম জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। মূলত নৌকার প্রাথী মো: আসাদুজ্জামান বাবু, (স্বতন্ত্র প্রাথী) বর্তমান দলীয় এমপি,জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, (স্বতন্ত্র প্রার্থী) বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলী ও জাতীয় পাটির প্রার্থী মো: আশরাফুজ্জামান এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক ভোট হবে। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পরিচিত এবং জেলায় ভোট ব্যাংক না থাকায় তিনি খুব একটা আলোচনায় নেই।
আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতাদের সাথে এবং সাধারন ভোটারদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, বর্তমান এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রাথী হিসাবে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সকল সিনিয়র সদস্য একজন জুনিয়রকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুদ্ধ ও বিরুপ মনোভাব পোষন করেছেন। অপর আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারমান মো: নজরুল ইসলামও ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি দলের একজন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কনিষ্ট নেতা। তাকে মনোনয়ন না দিয়ে বর্তমান এমপি অথবা দলের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলামকে দলীয় মনোনয়ন দিলে দলে শান্তি শৃংখলা বজায় থাকত এবং সকলে একযোগে কাজ করা যেত। যেহেতু দলের সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন সেকারণ ব্যক্তির পক্ষে নয় নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তবে ভোট দেয়ার ব্যাপারে দলের অনেকেই অনীহা দেখাবে বা উৎসবমুখুর ভাবে ভোটে অংশ নেবে না। এ ছাড়া দলীয় ভোটও ভাগাভাগি হয়ে যাবে। আর যদি দলীয় হস্তক্ষেপে বর্তমান এমপি প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন তবে সিনিয়র গ্রুপ দলীয় প্রাথীরে ভোটদানে বিরত থাকবে । সে ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী এলাকার পরিচিত মূখ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী মো: আফসার আলীর জয়লাভের সম্বাবনা অনেক বেশী।
এলাকাবাসীর মতে মো: আফসার আলী দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় সমাজসেবামুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও এলাকার শতাধিক ব্যক্তির চাকুরী ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ ছাড়া এলাকায় স্কুল , কলেজ, মাদরাসা, এতিমখানা , ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্র, ও মসজিদ স্থাপন করে জনগনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একজন সদালাপী ও সজ্জন পরপোকারী মানুষ হিসাবে হিসাবে তিনি পরিচিত। এলাকাবাসী আরো জানায়, মো: আফসার আলী বর্তমানে সাতক্ষীরার ইউনাইটেড মডেল কলেজ ও পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ও মরহুম আ: বারী মল্লিক হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা এবং রোকেয়া খাতুন ডাযাবেটিক সেন্টারের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ।এ ছাড়াও তিনি সরকারী কর্মকতা ও কর্মচারী সমবায় সমিতি, ঢাকা, গভ: এমপ্লয়ীজ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান,ফ্যালকন হোমস লি: ঢাকা ও লিংকটেক আইটি, ঢাকার চেয়ারম্যান সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। তাই সাধারন ভোটার ও বিভিন্ন দলের সমর্থনকারী ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রাথী হিসাবে স্বতন্ত্র প্রাথী মো: আফসার আলীর দিকে ঝুকে পড়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে তার বিজয়ের সম্ভাবনাই বেশি।