এর একটির ওজন ১৯০ কেজি, দাম ৯৫ হাজার টাকা। আরেকটির ওজন ১৬০ কেজি, দাম ৮০ হাজার টাকা। আসকার ইতিমধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছেন। ২৬ জুন সন্ধ্যায় কোরবানির পশু দুটি বাসায় পৌঁছে দেবেন সেই খামারমালিক।
আসকার ইবনে বলেন, ‘ঢাকার হাট থেকে পশু কেনার অভিজ্ঞতা আছে। তাতে প্রচুর ঝামেলা। সেসব ঝামেলা এড়াতে এবার প্রথমবারের মতো অনলাইনে পশু কিনেছি। আমার বাসায় একদম ঈদের আগে দিয়ে যাবে। আর আমি যে পেজ থেকে গরু কিনেছি, সেই পেজের মালিক আমার পূর্বপরিচিত, ফলে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।’
অনলাইনে কীভাবে ব্যবসা করেন, তা ব্যাখ্যা করে তৌহিদ পারভেজ বলেন, ‘ফেসবুক পেজে পশুর ১০ সেকেন্ডের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। তার সঙ্গে পশুর জাত, উচ্চতা, ওজন, বয়সসহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। কারও কোনো পশু পছন্দ হলে ফেসবুক পেজে থাকা নম্বরে ফোন করেন, কেউবা পেজের ইনবক্সে যোগাযোগ করেন। তারপর ক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। কথা শেষে নিতে চাইলে ব্যাংকের তথ্য দিয়ে দিই, তাঁরা টাকা পাঠিয়ে দেন। তারপর আমি পশু পাঠিয়ে দিই।’
গরুই বেশি বিক্রি করেন তিনি। এ ছাড়া ছাগলসহ অন্যান্য গবাদিপশুও রয়েছে।
একই ধরনের কথা বলেন কেরানীগঞ্জ রাবিবা অ্যাগ্রোর মালিক এম এ মাকসুদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনলাইনে সঠিক তথ্য দিতে হয়। সেসব দেখে ক্রেতারা ব্যাংকে টাকা দেন, আমরা গরু পাঠিয়ে দিই। অনলাইনে বেচলে ৯০ ভাগ ক্রেতার সঙ্গেই দেখা হয় না। আমরা গরু সংগ্রহও করি এভাবে।’ গত এক মাসে ৭০ থেকে ৭৫টি পশু বিক্রি করেছেন তিনি। তার মধ্যে অনলাইনে ৩০–৩৫টি, বাকিগুলো মানুষ এসে নিয়ে গেছেন বলেও জানান এম এ মাকসুদ।











