মাগুরায় এক নারী চিকিৎসকের সিজার বাণিজ্যে অসংখ্য রোগীর জীবন বলি!
মাগুরা প্রতিনিধি
ভয়ংকর এক চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় মাগুরাবাসীর জনজীবন হুমকির মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ডাক্তার লাবনী আকবরের অপ-চিকিৎসার শিকার হয়েছেন মাগুরা জেলার অসংখ্য জনগণ। তবে তার অপ চিকিৎসার তথ্যচিত্র একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তাতে থেমে থাকেনি চিকিৎসা বাণিজ্য। তার হাতে মৃতের সংখ্যাও একাধিক।
এক অনুসন্ধান দেখা গেছে,বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মাগুরা অপ চিকিৎসকদের উর্বরভূমিতে পরিণত হয়েছে। এই জেলাতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের অভাবে স্বাস্থ্য সেবা রীতিমতো হুমকির মুখে । আনাড়ি কিছু চিকিৎসকরা নিছক অর্থের লোভে রোগীদের উপর সার্জারি প্র্যাকটিস করছেন প্রতিনিয়ত। এই আনাড়ি চিকিৎসকরা কেউ কেউ প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি অপারেশন করে খুব অল্প সময়ে কোটিপতি বনে যাচ্ছেন। একটি অপারেশনের জন্য তাদের বরাদ্দকৃত সময় মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিট। সাধারণ মানুষের জীবন এদের কাছে মূল্যহীন। এ সকল অপ চিকিৎসকদের প্রয়োজন শুধু টাকা। এমনই একজন অপ-চিকিৎসক ডাঃ দিলারা আকবর লাবনী। সাম্প্রতিক একাধিক তথ্যসূত্রে জানা গেছে, তার অপচিকিৎসার শিকার হয়ে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ তুলছেন ভুক্তভোগীরা।
ডাক্তার দিলারা একবার লাবনী প্রেসক্রিপশন প্যাডে নিজের আবিষ্কৃত ভাষাতে ওষুধের নাম লিখে থাকেন। ওষুধের নাম কোন ফার্মাসিস্ট বা রোগী বুঝতে না পারলেও প্রেসক্রিপশন এর একদম উপরে স্পষ্ট” ভাষায় লিখা দালালের নাম সবাই বুঝতে পারেন। অনেক সময় ওষুধ বিক্রেতারা বিভ্রান্তিতে পড়ে দালাল এবং রোগীর ধরন অনুযায়ী ওষুধ দিয়ে দেন ক্রেতাদের হাতে। আর তাতে ঘটেছে নানা দুর্ঘটনা। গত ২১শে সেপ্টেম্বর সকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্লিনিক মালিক বলেন, ডাক্তার লাবনী শতকরা ৮৫% দালালের উপর নির্ভর। দালালদের মধ্যে রয়েছেন,ক্লিনিক মালিক,কর্মচারী ও পল্লী চিকিৎসক, ডাক্তার লাবনীর গেটম্যান ফরিদা,আবার কখনো এই দালালের তালিকায় দেখা গেছে ডাক্তার স্বয়ং নিজেই ।
সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আশা ভুক্তভোগী সাংবাদিক কর্মীর কাছে রোগীরা অভিযোগ তুলেন যে, রোগীর বক্তব্য পরিপূর্ণ না শুনেই রোগীকে প্রেসক্রিপশন লিখেদেন। তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকার প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে বলেন। যতবার রোগী দেখাতে আসেন ততবার ই সুযোগ বুঝে আলট্রাসনোগ্রাম এবং বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। আর এই আল্ট্রাসনোগ্রাম তিনি নিজেই করে থাকেন। ভুলবশত রোগী অন্য কোথাও থেকে আলট্রাসনোগ্রাম করে নিয়ে এলে রোগীকে ধমক দেন। অথচ: ডাক্তার লাবনীর,আল্ট্রাসনোগ্রামের কোন ডিগ্রি নাই। তিন মাসের আর্টাসনোগ্রাফি কোর্সে ভর্তি হলেও গত ছয় বছরে তার কোর্স শেষ হয়নি। ভর্তির পরে তিনি আর কোর্স শেষ করতে যাননি। এদিকে তিনি নিজের প্যাডে কন্টিনিউ লিখছেন” সিএমইউ,সি-আল্টা”।আর এ ভাবেই তিনি বিনা ডিগ্রিতে বছরের পর বছর হাজারো মানুষকে ভুল রিপোর্টে ক্ষতিসাধন করে যাচ্ছেন।
বিশেষ করে গর্ভবতী বাচ্চার সঠিক ওজন,বয়স নির্ণয় করতে ভুল করে থাকেন। এমনকি রোগীর পেটের পানি কমে গেছে দ্রত সিজার করতে হবে,না হলে বাচ্চা মারা যাবে এ ধরনের কথা বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় রোগী ভীতু হয়ে দ্রত সিজারের ডিসিশন নিতে বাধ্য হন । অথচ: রোগীদের এ সিজারিয়ান অপারেশনের কোন পূর্ব প্রস্তুুতি থাকে না অনেকের। দেখা গেছে ভুল,আল্ট্রাসনোগ্রাফি নির্ধারিত সময়ের আগেই সিজার করানোর কারণে মহাক্ষতির মধ্যে পড়েন রোগীও নবজাতক। প্রসূতি মা জন্ম দেন অ-পরিপক্ক বাচ্চা। আবার এদের মধ্যে জীবন বাঁচাতে কিছু রোগী মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। আর এ রোগীর সংখ্যাও পর্যায়ক্রমে বাড়ছে।
মাগুরা সদর হাসপাতালে খোঁজ নিরয় জানা গেছে, ডাক্তার লাবনীর হাতে সিজারের পর শ্বাসকষ্ট সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরয় ভর্তি হয়েছেন একাধিক প্রসূতি মায়েরা। আরো জানা গেছে, একটু ক্রিটিক্যাল মনে হলেই রোগীসহ বাচ্চাকে ভাড়াটিয়া অ্যাম্বুলেন্স এর মাধ্যমে গোপনীয় ভাবে ফরিদপুর বা ঢাকাতে পাঠান।এদের মধ্যে কেউ জীবিত ফিরে আসে, আর কেউ মৃত্যু হয়ে ফিরে আসে মাগুরায়। মৃত্যু হলে প্রেসক্রিপশন এর ওপরে লেখা নামের দালালের” সমন্বয়ে ভুক্তভোগী রোগীর পরিবারকে টাকা দিয়ে দফারফা করে নেন গোপনে। এভাবে চলছে অনেক দিন।
একবার ভুল চিকিৎসায় বাচ্চার মৃত্যুর ঘটনা আড়াল করতে দ্রতভাবে মৃত বাচ্চাকে রেফাট করেন ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে। প্রকাশিত হয়েছে অপ চিকিৎসার শিকার বাবু খালি ইউনিয়নের সিজারিয়ান রুগী আঁখির সন্তানের মৃত্যু এবং হাজেরা খাতুনের বাচ্চার মৃত্যু তাছাড়াও একাধিক মৃত্যরু ঘটনা। অভিযোগ সরজমিন অনুসন্ধানে মিলছে সত্যতা।
নিউ আল বারাকা প্রাইভেট ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতি ও তার নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে ডাঃ লাবনীর বিরুদ্ধে। মৃত প্রসূতি তিন কন্যা সন্তানের জননী রাশিদা বেগম (২৪) মাগুরা সদর উপজেলার খর্দ কছুন্দি গ্রামের রমজান শেখের স্ত্রী।এ ঘটনায় ১২ লক্ষ টাকায় দফারফা করেন ডাক্তার লাবনী। ভুক্তভোগী রশিদার পরিবার পান মাত্র তিন লক্ষ টাকা। বিপরীতে হারান দুটি তরতাজা প্রাণ! মৃতের লাশ বিক্রি করে পেট পুরে খেয়ে নেন দালাল সিন্ডিকেট।
নিহত রাশিদার বড় বোন শিল্পি খাতুন অভিযোগ করে বলেন, তার ছোট বোন রাশিদা বেগম (২৪) সন্তান প্রসবের জন্যে শুক্রবার রাতে মাগুরা শহরের হাসপাতাল পাড়া এলাকায় নিউ আল বারাকা প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি হয়। শনিবার রাতে চিকিৎসক দিলারা আকবর লাবনি ওই ক্লিনিকে রাশিদা বেগমের শরীরে অস্ত্রোপচার করেন। এ সময় একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয় রাশিদা। কিন্তু অস্ত্রোপচারের আগে রক্তের প্রয়োজন হলে। প্রসূতির শরীরের রক্তের ক্রস ম্যাচিং না করেই শরীরে ‘ও’ পজেটিভ রক্তের পরিবর্তে ক্লিনিকের প্যাথলজি থেকে ‘এবি’ পজেটিভ রক্ত দেয়া হয়। এতে জন্মের পরপরই অসুস্থ হয়ে মারা যায় ওই নবজাতক। অন্যদিকে রক্তের ভুল ব্যবহারের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রসূতি রাশিদা।ডাঃ লাবনীর শলাপরামর্শে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রসূতি রাশিদা বেগমকে দ্রত ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে রাশিদার মৃত্যু হয়। পরে লাশের ময়না তদন্ত শেষে রাত বারটার দিকে মাগুরা সদর খর্দ্দকছুন্দি গ্রামে দাফন সম্পন্ন হয়।
এছাড়াও তথ্যসূত্রে জানা গেছে, গত ১লা জুন মাগুরার হাসপাতাল পাড়ার নিউ আল বারাকা ক্লিনিককে সকাল সাড়ে দশটায় শিমুলিয়া গ্রামের আব্দুল মাজেদের স্ত্রী মোছাঃ সাবিনা খাতুন (৩১) এর সিজারিয়ান অপারেশন করেন তিনি ।এ সময় সাবিনা খাতুন দ্বিতীয়বার মা হবেন। স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠতেই আব্দুল মাজেদ গ্রাম্য ডাক্তার মাসুদের পরামর্শে নিউ আল বারাকা ক্লিনিকে ভর্তি করেন। ক্লিনিকের ম্যানেজার সাইফুল তাকে দ্রত অপারেশন এর পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য এই সাইফুল মাগুরা সদর হাসপাতালের একজন সরকারি কর্মচারী,সরকারি নিয়ম ভেঙে তিনি এই ক্লিনিকের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ম্যানেজার সাইফুল ডা: দিলারা আকবর লাবনীকে দিয়েও অপারেশনের বন্দোবস্ত করেন।
ডাঃ লাবনীর সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত অজ্ঞান চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন ডাঃ মাশিউল। অপারেশনের সময় রোগী সাবিনা খাতুন এর মেরুদন্ডে ভুল ইনজেকশন ভুল প্রয়োগের মাধ্যমে রোগীর দুই পা পঙ্গু করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। সাবিনা খাতুন গত এক মাস নিজের পায়ে দাঁড়ানোর কোনো শক্তি পাননা।পা দুটো এখনো অবশ। কয়েকবার রোগীর স্বামী আবদুল মাজেদ ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিভিন্নভাবে রোগীকে দিয়ে বিভিন্ন টেস্ট করিয়েছেন ও বিভিন্ন মাত্রার এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে আশ্বস্থ করে বলেছেন আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু রোগী এবং রোগীর স্বামী দাবি করেন আস্তে আস্তে রোগীর শরীর ভালো হওয়ার পরিবর্তে খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে ডাঃ দিলারা আকবর লাবনী ও অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাঃ মাশিউল এর সাথে আলাপ করলে তারা জানান “আমরা প্রতিদিন এত অপরেশন করি এরমধ্যে দুই একটা ভুল হতেই পারে।” এদিকে রোগীর স্বামী আব্দুল মাজেদ একজন সামান্য টেইলার মাস্টার। করোনা শেষে তেমন কোন কাজকর্ম নেই। ইতিমধ্যে ক্লিনিক এবং ডাক্তার যোগসাজশে তার ৫০ হাজার টাকা খরচ করিয়ে ফেলেছেন। রোগীর ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে কথা বললে ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানান। অবশেষে ২রা জুলাই রোগীর স্বামী আবদুল মাজেদ বাদী হয়ে ডাক্তার দিলারা আকবর লাবনী ও ক্লিনিক ম্যানেজার মোঃ সাইফুল ইসলামের বিুেদ্ধে মাগুরা সদর থানায় এজাহার দায়ের করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানিয়েছেন, ডাক্তার লাবনীর অপ চিকিৎসার শিকারে অনেকে মৃত্যু বরণ করলেও তিনি আছেন বেশ খুশ মেজাজে। ইতিমধ্যে ওটি, কমিশন বাণিজ্য,দালালি,পেশেন্ট ভিজিট,চলমান রেখে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। নামে বেনামে সম্পদসহ মাগুরা ভায়না এলাকায় বসবাস করেন আলিশান বাড়ীতে। ঢাকায় তিনটি ফ্লাট তার নিজগ্রাম মধুখালী গ্রামের বাড়িতে করেছেন দোতলা ডুপ্লেক্স বাড়ী। অথচ্য মাগুরা আসার আগে ডাক্তার লাবনীর জন্ম স্থান ফরিদপুর জেলার মধুখালী নিজের বাড়ীতে ছিল না তেমন তার কোন অর্থ-সম্পদ। সাম্প্রতিক সময়ে মাগুরা অপচিকিৎসা বানিজ্যে করে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।
তিনি নিজেকে পরিচয় দেন গরিবের ডাক্তার বলে অথচ: গ্রাম থেকে আসা অসুস্থ রোগীদেরকে ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখেন বিনা কারণে। সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকা রোগীরা তার কাছে অসুস্থতার কোন বিবরণ বলতে পারেন না। সময় দেন এক থেকে দুই মিনিট। অনেক সময় গেটম্যান ফরিদাকে দিয়ে একাধিক টেস্ট সহ ওষুধ লিখে দেন। দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় বছর তিনি মাগুরার বিভিন্ন ক্লিনিক অলিগলি দিনরাত চষে বেড়াচ্ছেন। এ জেলা শহরে তার প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে বিভিন্ন ক্লিনিকে বসেছেন এবং ক্লিনিক মালিককে দিয়ে হ্যান্ড লিফলেট মাইকিং দালালের মাধ্যমে পেসেন্ট ভিজিট সহ বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা করিয়ে সে ক্লিনিক থেকে চুপিসারে সরে পড়েন অন্য ক্লিনিকে। আর এভাবেই আনুমানিক ১১ টা ক্লিনিকে তিনি খ্যাপ মারছেন গত পাঁচ বছর।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডাক্তার লাবনী আক্তার রাজশাহী জেলা থেকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিবিএস পাশ করেছেন। তিনি কোন সরকারি হাসপাতালের কর্মরত বা বিসিএস ক্যাডার নন।
মাগুরা জেলা ক্লিনিকও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর সাধারণ সম্পাদক ফরাদ হোসেন বলেন, ডাক্তার লাবনী কিছু কিছু সময় রোগী থেকে অর্থ কম নেন সেবা দেন তবে তার নতুন হাত তাই মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে । তার হাতে কয়েকটা মৃত্যুও হয়েছে।
সাইন্সল্যাব ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিকপক্ষ জানিয়েছেন তাদের চেম্বারে রোগী ভিজিট করবেন এ কথা বলে অনেক প্রচারের দাবী জানান ডাঃ লাবনী। পরবর্তীতে মালিকপক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করে প্রচার করতে রাজি না হওয়ায় তিনি সেখানে আর যোগাযোগ করেননি ।
মাগুরা ল্যাব সিটির প্রতিষ্ঠিত মালিক ওয়াজেদুর রহমান বলেন, এ সকল চিকিৎসক বিভিন্ন ক্লিনিকে বসে ক্লিনিক মালিকদের মাথা ওয়াশ করে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রচার করায়। আর যখনই প্রচার বৃদ্ধি পায় তখনই সেই ক্লিনিক ত্যাগ কোরে নতুন ক্লিনিকে চলে যান। আর এভাবে আমার ক্লিনিকে ক্ষনিকের জন্য বসে অনেক টাকা ক্ষতিগ্রস্থ করে দিয়ে তিনি ভেগেগেছেন।
এসকল বিষয়ে জানতে ডাঃ লাবনী আকবরকে একাধিকবার মুঠো ফোনে কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মাগুরা জেলাবাসী এখন এই নারী চিকিৎসকের কালোথাবা থেকে মুক্তি চান। এ ক্ষেত্রে তারা মাগুরার সুযোগ্য সিভিল সার্জন,জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।











